2650 - أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْمُثَنَّى، قَالَ: حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ الْقَوَارِيرِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الْأَعْلَى، قَالَ: حَدَّثَنَا هِشَامٌ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ، قَالَ: سِرْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي غَزَاةٍ، فَلَمَّا كَانَ مِنْ آخِرِ اللَّيْلِ عَرَّسَ، فَمَا اسْتَيْقَظَ حَتَّى أَيْقَظَنَا حَرُّ الشَّمْسِ، فَجَعَلَ الرَّجُلُ يَقُومُ دَهِشًا فَزِعًا، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «ارْكَبُوا»، فَرَكِبَ وَرَكِبْنَا، فَسَارَ حَتَّى ارْتَفَعَتِ الشَّمْسُ، ثُمَّ نَزَلَ فَأَمَرَ بِلَالًا فَأَذَّنَ، وَفَرَغَ الْقَوْمُ مِنْ حَاجَاتِهِمْ، وَتَوَضَّؤُوا، وَصَلَّوَا الرَّكْعَتَيْنِ، ثُمَّ أَقَامَ، فَصَلَّى بِنَا، فَقُلْنَا: يَا رَسُولَ اللَّهِ، أَلَا نَقْضِيهَا لِوَقْتِهَا مِنَ الْغَدِ؟ قَالَ: «يَنْهَاكُمْ رَبُّكُمْ عَنِ الرِّبَا وَيَقْبَلُهُ مِنْكُمْ؟ »
رقم طبعة با وزير = (2641)تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (470) ق: دون: وصلَّوا ركعتين. تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: رجاله ثقات رجال الشيخين إلا أن رواية هشام وهو ابن حسان عن الحسن يتكلمون فيها
ইমরান বিন হুসাইন রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আমরা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে একটা যুদ্ধে চলছিলাম, অতঃপর যখন রাতের শেষ প্রহর হলো তখন তিনি যাত্রাবিরতি দিলেন। তারপর সূর্যের তাপ আমাদের জাগিয়ে না তুলা পর্যন্ত আমাদের কেউ জাগ্রত হয়নি। অতঃপর লোকজন বিস্ময় ও ভীত হয়ে একে একে উঠতে লাগলো। তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, “তোমরা বাহনে আরোহন কর।” অতঃপর তিনি বাহনে আরোহন করেন আমরাও বাহনে আরোহন করি। তারপর তিনি সূর্য উঁচুতে উঠা পর্যন্ত চলতে থাকলেন। তারপর বাহন থেকে নামলেন এবং বিলাল রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে আযান দেওয়ার আদেশ দিলেন ফলে তিনি আযান দিলেন। লোকজন তাদের হাজত পূরণ করেন। অতঃপর ওযূ করে দুই রাকা‘আত সালাত আদায় করেন। তারপর তিনি ইকামত দিলে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের নিয়ে সালাত আদায় করেন। তখন আমরা বললাম, “হে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, আমরা কি এই আগামীকাল যথাসময়ে কাযা করবো না?” জবাবে তিনি বলেন, “তোমাদের প্রভু কি তোমাদেরকে সুদ থেকে নিষেধ করে, নিজে তা গ্রহণ করবেন?”[1]







[1] সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ৯৯৪; মুসনাদ আহমাদ: ৪/৪৪১; দারাকুতনী: ১/৩৮৫; তাহাবী, শারহু মা‘আনিল আসার: ১/৪০০; সুনান বাইহাকী: ২/২১৭; মুসনাদ ইমাম শাফে‘ঈ: ১/৫৪-৫৫; আবূ দাঊদ: ৪৪৩; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ২২৪১। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ৪৭০)

সহীহ ইবনু হিব্বান (2650)