2648 - أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا هُدْبَةُ بْنُ خَالِدٍ الْقَيْسِيُّ، حَدَّثَنَا هَمَّامُ بْنُ يَحْيَى، حَدَّثَنَا قَتَادَةُ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «مَنْ نَسِيَ [ص:374] صَلَاةً، فَلْيُصَلِّهَا إِذَا ذَكَرَهَا، لَا كَفَّارَةَ لَهَا إِلَّا ذَلِكَ»
رقم طبعة با وزير = (2639) قَالَ: أَبُو حَاتِمٍ: فِي قَوْلِهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «فَلْيُصَلِّهَا إِذَا ذَكَرَهَا، لَا كَفَّارَةَ لَهَا إِلَّا ذَلِكَ» دَلِيلٌ عَلَى أَنَّ الصَّلَاةَ لَوْ أَدَّاهَا عَنْهُ غَيْرُهُ لَمْ تُجْزِ عَنْهُ، إِذِ الْمُصْطَفَى صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «لَا كَفَّارَةَ لَهَا إِلَّا ذَلِكَ»، يُرِيدُ إِلَّا أَنْ يُصَلِّيَهَا إِذَا ذَكَرَهَا، وَفِيهِ دَلِيلٌ عَلَى أَنَّ الْمَيِّتَ إِذَا مَاتَ وَعَلَيْهِ صَلَوَاتٌ لَمْ يَقْدِرْ عَلَى أَدَائِهَا فِي عِلَّتِهِ لَمْ يَجُزْ أَنْ يُعْطَى الْفُقَرَاءَ عَنْ تِلْكَ الصَّلَوَاتِ الْحِنْطَةَ، وَلَا غَيْرَهَا مِنْ سَائِرِ الْأَطْعِمَةِ وَالْأَشْيَاءِتحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح: ق - انظر ما قبله. تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرطهما
আনাস বিন মালিক রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি কোন সালাত আদায় করতে ভুলে যায়, সে যেন তা পড়ে নেয়, যখন তা স্মরন হবে। তার জন্য এছাড়া আর কোন কাফ্ফারা নেই।”[1] আবূ হাতিম ইবনু হিব্বান রহিমাহুল্লাহ বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বক্তব্য “সে যেন তা পড়ে নেয়, যখন তা স্মরন হবে। তার জন্য এছাড়া আর কোন কাফ্ফারা নেই” এর মাঝে এই মর্মে দলীল রয়েছে যে, কোন ব্যক্তির সালাত যদি অন্য কেউ আদায় করে, তবে তা যথেষ্ট হবে না। কেননা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “তার জন্য এছাড়া আর কোন কাফ্ফারা নেই” এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো তবে যখন তার তা স্মরণ হবে, তখন তা পড়ে নিবে। আর এখানে আরো দলীল রয়েছে যে, যখন কেউ মারা যাবে এমন অবস্থায় যে তার উপর বেশ কিছু সালাত ফরয ছিল, যা তিনি অসুস্থতার কারণে আদায় করতে পারেননি, তবে এক্ষেত্রে জায়েয হবে না এসব সালাতের জন্য ফকীরদের গম, অন্য কোন খাদ্য বা অন্য কিছু প্রদান করা।”







[1] মুসনাদ আহমাদ: ৩/২৪৩; আবূ আওয়ানা: ২/২৫২; সহীহ মুসলিম: ৬৮৪; তিরমিযী: ১৭৮; নাসাঈ: ১/২৯৩; ইবনু মাজাহ: ৬৯৬; তাহাবী, শারহু মা‘আনিল আসার: ১/৪৬৬; সুনান বাইহাকী: ২/২১৮; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ: ৩৯৩; সহীহ আল বুখারী: ৫৯৭; আবূ দাঊদ: ৪৪২; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ৯৯৩; দারেমী: ১/২৮০; মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ২/৬৩। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ৪৬৯)

সহীহ ইবনু হিব্বান (2648)