2260 - أَخْبَرَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ إِدْرِيسَ الْأَنْصَارِيُّ، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ أَبِي بَكْرٍ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ أَبِي حَازِمِ بْنِ دِينَارٍ، عَنْ سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ذَهَبَ إِلَى بَنِي عَمْرِو بْنِ عَوْفٍ لِيُصْلِحَ بَيْنَهُمْ، وَحَانَتِ الصَّلَاةُ، فَجَاءَ بِلَالٌ إِلَى أَبِي بَكْرٍ الصِّدِّيقِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، فَقَالَ: أَتُصَلِّي لِلنَّاسِ فَأُقِيمَ؟ قَالَ: نَعَمْ، فَصَلَّى أَبُو بَكْرٍ فَجَاءَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَالنَّاسُ فِي الصَّلَاةِ، فَتَخَلَّصَ حَتَّى وَقَفَ فِي الصَّفِّ، فَصَفَّقَ النَّاسُ، وَكَانَ أَبُو بَكْرٍ لَا يَلْتَفِتُ فِي صَلَاتِهِ، فَلَمَّا أَكْثَرَ النَّاسُ التَّصْفِيقَ الْتَفَتَ [ص:36] أَبُو بَكْرٍ، فَرَأَى رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَأَشَارَ إِلَيْهِ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: أَنِ اثْبُتْ مَكَانَكَ، فَرَفَعَ أَبُو بَكْرٍ يَدَيْهِ، فَحَمِدَ اللَّهَ تَعَالَى عَلَى مَا أَمَرَهُ بِهِ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنْ ذَلِكَ، ثُمَّ اسْتَأْخَرَ أَبُو بَكْرٍ حَتَّى اسْتَوَى فِي الصَّفِّ، وَتَقَدَّمَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَصَلَّى، فَلَمَّا انْصَرَفَ قَالَ: «يَا أَبَا بَكْرٍ، مَا مَنَعَكَ أَنْ تَلْبَثَ إِذْ أَمَرْتُكَ؟ » فَقَالَ أَبُو بَكْرٍ: مَا كَانَ لِابْنِ أَبِي قُحَافَةَ أَنْ يُصَلِّيَ بَيْنَ يَدَيْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مَا لِي رَأَيْتُكُمْ أَكْثَرْتُمُ التَّصْفِيقَ؟ مَنْ نَابَهُ شَيْءٌ فِي صَلَاتِهِ فَلْيُسَبِّحْ، فَإِنَّهُ إِنْ سَبَّحَ الْتُفِتَ إِلَيْهِ، وَإِنَّمَا التَّصْفِيقُ لِلنِّسَاءِ». [1: 78]
رقم طبعة با وزير = (2257)تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (868): ق. تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرطهما، أبو حازم بن دينار: هو سلمة.
সাহল বিন সা‘দ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আল্লাহর নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একবার বানী আমর বিন আওফ গোত্রে যান, তাদের একটি বিবাদের মীমাংসা করার জন্য। অতঃপর সালাতের সময় হলে বিলাল রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু আবূ বকর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর কাছে কাছে আসেন এবং বলেন, “আপনি কি লোকদের নিয়ে সালাত আদায় করবেন, তাহলে আমি ইকামত দিতাম?” জবাবে তিনি বলেন, “হ্যাঁ, ঠিক আছে।” তারপর আবূ বকর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু সালাত শুরু করলে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম চলে আসেন। এসময় লোকজন সালাতে ছিল। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কাতার ফাঁড়ি দিয়ে প্রথম কাতারে এসে দাঁড়ান। তখন লোকজন করতালি দিতে লাগেন। আর আবূ বকর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু সালাতে এদিক-ওদিক তাকাতেন না। কিন্তু লোকজন যখন প্রচুর পরিমাণ করতালি দেন, তখন আবূ বকর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু পিছনে তাকান এবং রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখতে পান, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে ইশারায় বলেন, “আপনি আপনার জায়গায় বহাল থাকুন।” রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবূ বকর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে এই আদেশ করেছেন, এজন্য তিনি দুই হাত তুলে আল্লাহর প্রশংসা করেন। অতঃপর তিনি পিছনে কাতার বরাবর আসেন। আর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সামনে অগ্রসর হন। অতঃপর যখন সালাম ফেরান, তখন তিনি বলেন, “হে আবূ বকর, যখন আমি আপনাকে আদেশ করলাম, তখন আপনাকে সেই জায়গায় অবস্থান করতে কীসে বারণ করলো?” আবূ বকর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “আবূ কুহাফার বেটার এই অধিকার নেই যে, সে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সামনে সালাত আদায় করবে!” অতঃপর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লোকদের বলেন, “তোমাদের কী ব্যাপার, তোমরা অধিক পরিমাণে করতালি দিচ্ছিলে? কারো সালাতে কোন কিছু আরোপিত হলে, সে যেন ‘সুবহানাল্লাহ’ বলে। কেননা যখন ‘সুবহানাল্লাহ’ বলা হবে, তখন তার প্রতি দৃষ্টি দেওয়া হবে। আর নিশ্চয়ই করতালি নারীদের জন্য।”[1]







[1] মুয়াত্তা ইমাম মালিক: ১/১/৬৩-১৬৪; মুসনাদ আহমাদ: ৫/৩৩৭; মুসনাদ ইমাম শাফে‘ঈ: ১/১১৭-১১৮; সহীহ আল বুখারী: ৬৮৪; সহীহ ‍মুসলিম: ৪২১; আবূ দাঊদ: ৯৪০; তাবারানী: ৫৭৭১; সুনান বাইহাকী: ২/২৪৬; বাগাবী: ৭৪৯; হুমাইদী: ৯২৭; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৪০৭২; দারেমী: ১/৩১৭; নাসাঈ: ২/৭৭-৭৯; তাহাবী, শারহু মা‘আনিল আসার: ১/৪৪৭; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ৮৫৩; ইবনুল জারূদ: ২১১। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ৮৬৮)

সহীহ ইবনু হিব্বান (2260)