2256 - وَأَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْأَزْدِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا النَّضْرُ بْنُ شُمَيْلٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ عَوْنٍ، عَنِ ابْنِ سِيرِينَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: صَلَّى بِنَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِحْدَى صَلَاتْيِ الْعَشِيِّ - قَالَ ابْنُ سِيرِينَ: سَمَّاهَا لَنَا أَبُو هُرَيْرَةَ، فَنَسِيتُ أَنَا - فَصَلَّى بِنَا رَكْعَتَيْنِ ثُمَّ سَلَّمَ، ثُمَّ قَامَ إِلَى خَشَبَةٍ مَعْرُوضَةٍ فِي الْمَسْجِدِ، فَوَضَعَ يَدَهُ الْيُمْنَى عَلَى الْيُسْرَى، وَشَبَّكَ بَيْنَ أَصَابِعِهِ، وَاتَّكَأَ عَلَى خَشَبَةٍ كَأَنَّهُ غَضْبَانُ، قَالَ: وَخَرَجَ سَرَعَانُ النَّاسِ - قَالَ النَّضْرُ: يَعْنِي أَوَائِلَ النَّاسِ - فَقَالُوا: أَقُصِرَتِ الصَّلَاةُ وَفِي الْقَوْمِ أَبُو بَكْرٍ، وَعُمَرُ؟ فَهَابَاهُ أَنْ يُكَلِّمَاهُ، وَفِي الْقَوْمِ رَجُلٌ فِي يَدِهِ طُولٌ يُقَالُ لَهُ: ذُو الْيَدَيْنِ، فَقَالَ: أَقُصِرَتِ الصَّلَاةُ أَمْ نَسِيتَ؟ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «لَمْ تُقْصَرِ الصَّلَاةُ، وَلَمْ أَنَسَ»، فَقَالَ لِلْقَوْمِ: «أَكَمَا يَقُولُ ذُو الْيَدَيْنِ؟ » قَالُوا: نَعَمْ، فَصَلَّى مَا كَانَ تَرَكَ، ثُمَّ سَلَّمَ، ثُمَّ كَبَّرَ وَسَجَدَ مِثْلَ سُجُودِهِ أَوْ أَطْوَلَ، ثُمَّ رَفَعَ رَأْسَهُ وَكَبَّرَ، ثُمَّ كَبَّرَ وَسَجَدَ مِثْلَهُ أَوْ أَطْوَلَ، ثُمَّ رَفَعَ رَأْسَهُ ثُمَّ كَبَّرَ [ص:32] قَالَ: فَرُبَّمَا سَأَلُوا مُحَمَّدًا: ثُمَّ سَلَّمَ؟ فَيَقُولُ: نُبِّئْتُ عَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ أَنَّهُ قَالَ: «ثُمَّ سَلَّمَ». لَفْظُ الْخَبَرِ لِلنَّضْرِ بْنِ شُمَيْلٍ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ.
رقم طبعة با وزير = (2253)تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - انظر ما قبله. تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرطهما، إسحاق بن إبراهيم: هو ابن راهويه الحنظلي.
رقم طبعة با وزير = (2253)تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - انظر ما قبله. تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرطهما، إسحاق بن إبراهيم: هو ابن راهويه الحنظلي.
আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “একবার আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের নিয়ে রাতের এক সালাত আদায় করেন।” ইবনু সিরীন রহিমাহুল্লাহ বলেন, “আবূ সেই সালাতের নাম বলেছিল, কিন্তু আমি তা ভুলে যাই।” আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “তিনি আমাদের নিয়ে দুই রাকা‘আত সালাত আদায় করেন। তারপর সালাম ফেরান। তারপর তিনি মাসজিদে আড়াআড়ি করে রাখা একটি কাঠের উদ্দেশ্যে দাঁড়ান এবং ডান হাতকে বাম হাতের উপর রাখেন, হাতের আঙ্গুলগুলোকে একটিকে অপরটির মাঝে ঢুকিয়ে দেন এবং কাঠের উপর হেলান দেন। এসময় যেন তিনি রাগান্বিত ছিলেন। অগ্রবর্তী লোকজন এসময় চলে যান।” নযর রহিমাহুল্লাহ বলেন, “অর্থাৎ আগের লোকজন চলে যান।” লোকজন এসময় বলাবলি করেন, “সালাত কি কমিয়ে দেওয়া হয়েছে? লোকদের মাঝে আবূ বকর, উমার প্রমুখ সাহাবীগণ। কিন্তু তারা তাঁর সাথে কথা বলতে ভয় পান। লোকদের মাঝে একজন সাহাবী ছিলেন, যার হাত লম্বা ছিল, এজন তাকে যুল ইয়াদাইন বলা হয়। তিনি বলেন, “সালাত কি কমিয়ে দেওয়া হয়েছে নাকি আপনি ভুলে গেছেন?” তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “সালাত কমিয়ে দেওয়া হয়নি আর আমি ভুলেও যাইনি।” অতঃপর তিনি লোকদের বলেন, “যুলইয়াদাইন যা বলছে, ব্যাপার কি তাই?” সাহাবীগণ উত্তর দিলেন, “জ্বী, হ্যাঁ।” তারপর তিনি বাদ দিয়েছিলেন, তা আদায় করেন। তারপর সালাম ফেরান। তারপর তাকবীর দিয়ে অন্যান্য সাজদার মতোই অথবা তার চেয়ে দীর্ঘ সাজদা করেন। তারপর সাজদা থেকে মাথা উত্তলন করেন অতঃপর তারপর তাকবীর দিয়ে অন্যান্য সাজদার মতোই অথবা তার চেয়ে দীর্ঘ সাজদা করেন। তারপর সাজদা থেকে মাথা উত্তলন করেন এবং তাকবীর দেন।” রাবী বলেন, “কোন কোন সময় অধঃস্তন রাবী তাদের উস্তাদ মুহাম্মাদ রহিমাহুল্লাহকে জিজ্ঞেস করেন, “তারপর কি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাম ফিরিয়েছিলেন?” জবাবে তিনি বলেন, “আমাকে ইমরান বিন হুসাইন রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে আমাকে হাদীস বলা হয়েছে, তিনি বলেন, “তারপর তিনি সালাম ফিরিয়েছেন।”[1]
[1] মুয়াত্তা ইমাম মালিক: ১/৯৩; মুসনাদ ইমাম শাফে‘ঈ: ১/১২১; সহীহ আল বুখারী: ৭১৪; আবূ দাঊদ: ১০০৯; তিরমিযী: ৩৯৯; নাসাঈ: ৩/২২; তাহাবী, শারহু মা‘আনিল আসার: ১/৪৪৪; সুনান বাইহাকী: ২/৩৫৬; সহীহ মুসলিম: ৫৭৩। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ৯২৩)
[1] মুয়াত্তা ইমাম মালিক: ১/৯৩; মুসনাদ ইমাম শাফে‘ঈ: ১/১২১; সহীহ আল বুখারী: ৭১৪; আবূ দাঊদ: ১০০৯; তিরমিযী: ৩৯৯; নাসাঈ: ৩/২২; তাহাবী, শারহু মা‘আনিল আসার: ১/৪৪৪; সুনান বাইহাকী: ২/৩৫৬; সহীহ মুসলিম: ৫৭৩। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ৯২৩)
সহীহ ইবনু হিব্বান (2256)