2249 - أَخْبَرَنَا عُمَرُ بْنُ سَعِيدِ بْنِ سِنَانٍ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ أَبِي بَكْرٍ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ أَيُّوبَ بْنِ أَبِي تَمِيمَةَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سِيرِينَ، [ص:26] عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ سَلَّمَ مِنَ اثْنَتَيْنِ مِنْ صَلَاةِ الْعَشِيِّ، فَقَامَ إِلَيْهِ ذُو الْيَدَيْنِ، فَقَالَ: أَقُصِرَتِ الصَّلَاةُ أَمْ نَسِيتَ؟ فَقَالَ: «كُلُّ ذَلِكَ لَمْ يَكُنْ»، ثُمَّ أَقْبَلَ عَلَى النَّاسِ، فَقَالَ: «أَكَمَا يَقُولُ ذُو الْيَدَيْنِ؟ » قَالُوا: نَعَمْ، فَأَتَمَّ مَا بَقِيَ مِنَ الصَّلَاةِ، ثُمَّ سَلَّمَ، ثُمَّ سَجَدَ سَجْدَتَيِ السَّهْوِ. [2: 101]
رقم طبعة با وزير = (2246) قَالَ أَبُو حَاتِمٍ: «هَذَا خَبَرٌ أَوْهَمَ عَالِمًا مِنَ النَّاسِ أَنَّ هَذِهِ الصَّلَاةَ كَانَتْ حَيْثُ كَانَ الْكَلَامُ مُبَاحًا فِي الصَّلَاةِ، ثُمَّ نُسِخَ هَذَا الْخَبَرُ بِتَحْرِيمِ الْكَلَامِ فِي الصَّلَاةِ، وَلَيْسَ كَذَلِكَ، لِأَنَّ نَسْخَ الْكَلَامِ فِي الصَّلَاةِ كَانَ بِمَكَّةَ عِنْدَ رُجُوعِ ابْنِ مَسْعُودٍ مِنْ أَرْضِ الْحَبَشَةِ، وَذَلِكَ قَبْلَ الْهِجْرَةِ بِثَلَاثِ سِنِينَ، وَرَاوِي هَذَا الْخَبَرِ أَبُو هُرَيْرَةَ، وَأَبُو هُرَيْرَةَ أَسْلَمَ سَنَةَ خَيْبَرَ سَنَةَ سَبْعٍ مِنَ الْهِجْرَةِ، [ص:27] فَذَلِكَ مَا وَصَفْتُ، عَلَى أَنَّ قِصَّةَ ذِي الْيَدَيْنِ كَانَ بَعْدَ نَسْخِ الْكَلَامِ فِي الصَّلَاةِ بِعَشْرِ سِنِينَ سَوَاءٌ، فَكَيْفَ يَكُونُ الْخَبَرُ الْمُتَأَخِّرِ مَنْسُوخًا بِالْخَبَرِ الْمُتَقَدِّمِ».تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «الإرواء» (2/ 130)، «الروض النضير» (1097) «صحيح أبي داود» (923). تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرطهما.
আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “একবার আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন এক রাতের সালাতে দুই রাকা‘আত পড়ে সালাম ফেরান। তখন যুলইয়াদাইন সাহাবী তাঁর উদ্দেশ্যে দাঁড়িয়ে যান এবং বলেন, “সালাত কি কমিয়ে দেওয়া হয়েছে নাকি আপনি ভুলে গেছেন?” জবাবে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “এর কোনটাই হয়নি।” তারপর তিনি লোকদের মুখোমুখী হন এবং বলেন, “যুলইয়াদাইন যা বলছে, ব্যাপারটা কি এমনই?” লোকজন বললেন, “জ্বী, হ্যাঁ।” অতঃপর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বাকি সালাত পূর্ণ করেন তারপর সালাম ফেরান অতঃপর দুটি সাহু সাজদা করেন।”[1] আবূ হাতিম ইবনু হিব্বান রহিমাহুল্লাহ বলেন, “এই হাদীসটি কোন কোন আলিমকে এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, এটা হয়তো সে সময়ের সালাত ছিল, যখন সালাতে কথা বলা বৈধ ছিল, তারপর সেটা রহিত করা হয় সালাতে কথা বলা হারাম সম্পর্কিত হাদীসের মাধ্যমে। কিন্তু ব্যাপারটি এমন নয়। কেননা কেননা সালাতে কথা বলা রহিত হয়েছিল মক্কায়, যখন আব্দুল্লাহ বিন মাস‘ঊদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হাবশা থেকে মক্কায় আসেন। এটা হয়েছিল হিজরের তিন বছর আগে। আর এই হাদীসের বর্ণনাকারী হলেন আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু, তিনি সপ্তম হিজরীতে খাইবার যুদ্ধের বছরে ইসলাম গ্রহণ করেন। এজন্য আমি বর্ণনা করেছি যে, যুলইয়াদাইনের ঘটনা ঘটেছিল সালাতে কথা বলা রহিত হওয়ার পুরোপুরি ১০ বছর পর। কাজেই আগের হাদীস দিয়ে কিভাবে পরের হাদীস রহিত হতে পারে?”







[1] মুয়াত্তা ইমাম মালিক: ১/৯৩; মুসনাদ ইমাম শাফে‘ঈ: ১/১২১; সহীহ আল বুখারী: ৭১৪; আবূ দাঊদ: ১০০৯; তিরমিযী: ৩৯৯; নাসাঈ: ৩/২২; তাহাবী, শারহু মা‘আনিল আসার: ১/৪৪৪; সুনান বাইহাকী: ২/৩৫৬; সহীহ মুসলিম: ৫৭৩। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ৯২৩)

সহীহ ইবনু হিব্বান (2249)