2137 - أَخْبَرَنَا أَبُو يَعْلَى، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو خَيْثَمَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ أَبِي خَالِدٍ، عَنْ قَيْسِ بْنِ أَبِي حَازِمٍ، [ص:509] عَنْ أَبِي مَسْعُودٍ، قَالَ: جَاءَ رَجُلٌ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنِّي لَأَتَأَخَّرُ عَنْ صَلَاةِ الْغَدَاةِ مِمَّا يُطِيلُ بِنَا فُلَانٌ، فَقَامَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَمَا رَأَيْتُهُ فِي مَوْعِظَةٍ أَشَدَّ غَضَبًا مِنْهُ يَوْمَئِذٍ فَقَالَ: «أَيُّهَا النَّاسُ إِنَّ مِنْكُمْ مُنَفِّرِينَ فَأَيُّكُمْ مَا صَلَّى بِالنَّاسِ فَلْيَتَجَوَّزْ، فَإِنَّ فِيهِمُ الضَّعِيفَ وَالْكَبِيرَ وَذَا الْحَاجَةِ». [1: 95]
رقم طبعة با وزير = (2134)تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (759): ق. تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرطهما.
رقم طبعة با وزير = (2134)تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (759): ق. تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرطهما.
আবূ মাস‘ঊদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “এক ব্যক্তি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে এসে বললেন, “হে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, আমি ফজরের সালাতে দেরিতে আসি, কারণ ওমুক ব্যক্তি আমাদের নিয়ে দীর্ঘ করে সালাত আদায় করে!” তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাঁড়িয়ে যান। সেদিনের চেয়ে আর কোন উপদেশে তাঁকে এতোটা রাগান্বিত হতে দেখিনি। তিনি বলেন, “হে লোকসকল, তোমাদের মাঝে বিতৃষ্ণা সৃষ্টিকারী কিছু মানুষ আছে! তোমাদের কেউ যখন লোকদের নিয়ে সালাত আদায় করবে, সে যেন সংক্ষেপে সালাত আদায় করে। কেননা তাদের মাঝে দুর্বল, বয়োবৃদ্ধ ও প্রয়োজনশীল মানুষ রয়েছে।”[1]
[1] মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ২/৫৪-৫৫; সহীহ মুসলিম: ৪৬৬; মুসনাদ িইমাম শাফে‘ঈ: ১/১৩১-১৩২; হুমাইদী: ৪৫৩; আত তায়ালিসী: ৬০৭; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৩৭২৬; মুসনাদ আহমাদ: ৪/১১৮; সহীহ আল বুখারী: ৯০; ইবনু মাজাহ: ৯৮৪; দারেমী: ১/২৮৮; তাবারানী আল কাবীর: ১৭/৫৫৫; বাগাবী,শারহুস সুন্নাহ: ৮৪৪। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ৭৫৯)
[1] মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ২/৫৪-৫৫; সহীহ মুসলিম: ৪৬৬; মুসনাদ িইমাম শাফে‘ঈ: ১/১৩১-১৩২; হুমাইদী: ৪৫৩; আত তায়ালিসী: ৬০৭; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৩৭২৬; মুসনাদ আহমাদ: ৪/১১৮; সহীহ আল বুখারী: ৯০; ইবনু মাজাহ: ৯৮৪; দারেমী: ১/২৮৮; তাবারানী আল কাবীর: ১৭/৫৫৫; বাগাবী,শারহুস সুন্নাহ: ৮৪৪। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ৭৫৯)
সহীহ ইবনু হিব্বান (2137)