2119 - أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ سُفْيَانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا شَبَابَةُ، قَالَ: حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ نُعَيْمِ بْنِ أَبِي هِنْدَ، عَنْ أَبِي وَائِلٍ، عَنْ مَسْرُوقٍ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: «صَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي مَرَضِهِ الَّذِي مَاتَ فِيهِ خَلْفَ أَبِي بَكْرٍ قَاعِدًا». [1: 5]
رقم طبعة با وزير = (2116) قَالَ أَبُو حَاتِمٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ: «خَالَفَ نُعَيْمُ بْنُ أَبِي هِنْدَ، عَاصِمَ بْنَ أَبِي النَّجُودِ فِي مَتْنِ هَذَا الْخَبَرِ فَجَعَلَ عَاصِمٌ أَبَا بَكْرٍ مَأْمُومًا وَجَعَلَ نُعَيْمُ بْنُ أَبِي هِنْدَ أَبَا بَكْرٍ إِمَامًا وَهُمَا ثِقَتَانِ حَافِظَانِ مُتْقِنَانِ، فَكَيْفَ يَجُوزُ أَنْ يُجْعَلَ خَبَرُ أَحَدِهِمَا نَاسِخًا لِأَمْرٍ [ص:488] مُتَقَدِّمٍ، وَقَدْ عَارَضَهُ فِي الظَّاهِرِ مِثْلُهُ؟ وَنَحْنُ نَقُولُ بِمَشِيئَةِ اللَّهِ وَتَوْفِيقِهِ: إِنَّ هَذِهِ الْأَخْبَارَ كُلَّهَا صِحَاحٌ وَلَيْسَ شَيْءٌ مِنْهَا يُعَارِضُ الْآخَرَ وَلَكِنَ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صَلَّى فِي عِلَّتِهِ صَلَاتَيْنِ فِي الْمَسْجِدِ جَمَاعَةً لَا صَلَاةً وَاحِدَةً فِي إِحْدَاهُمَا كَانَ مَأْمُومًا وَفِي الْأُخْرَى كَانَ إِمَامًا وَالدَّلِيلُ عَلَى أَنَّهُمَا كَانَا صَلَاتَيْنِ لَا صَلَاةً وَاحِدَةً أَنَّ فِي خَبَرِ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ عَائِشَةَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ خَرَجَ بَيْنَ رَجُلَيْنِ يُرِيدُ أَحَدُهُمَا الْعَبَّاسَ وَالْآخَرَ عَلِيًّا وَفِي خَبَرِ مَسْرُوقٍ، عَنْ عَائِشَةَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ خَرَجَ بَيْنَ بَرِيرَةَ وَنُوبَةَ فَهَذَا يَدُلَّكُ عَلَى أَنَّهَا كَانَتْ صَلَاتَيْنِ لَا صَلَاةً وَاحِدَةً»تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح. تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح، رجاله ثقات رجال الشيخين غيرنعيم بن أبي هند، فإنه من رجال مسلم وحده.
رقم طبعة با وزير = (2116) قَالَ أَبُو حَاتِمٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ: «خَالَفَ نُعَيْمُ بْنُ أَبِي هِنْدَ، عَاصِمَ بْنَ أَبِي النَّجُودِ فِي مَتْنِ هَذَا الْخَبَرِ فَجَعَلَ عَاصِمٌ أَبَا بَكْرٍ مَأْمُومًا وَجَعَلَ نُعَيْمُ بْنُ أَبِي هِنْدَ أَبَا بَكْرٍ إِمَامًا وَهُمَا ثِقَتَانِ حَافِظَانِ مُتْقِنَانِ، فَكَيْفَ يَجُوزُ أَنْ يُجْعَلَ خَبَرُ أَحَدِهِمَا نَاسِخًا لِأَمْرٍ [ص:488] مُتَقَدِّمٍ، وَقَدْ عَارَضَهُ فِي الظَّاهِرِ مِثْلُهُ؟ وَنَحْنُ نَقُولُ بِمَشِيئَةِ اللَّهِ وَتَوْفِيقِهِ: إِنَّ هَذِهِ الْأَخْبَارَ كُلَّهَا صِحَاحٌ وَلَيْسَ شَيْءٌ مِنْهَا يُعَارِضُ الْآخَرَ وَلَكِنَ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صَلَّى فِي عِلَّتِهِ صَلَاتَيْنِ فِي الْمَسْجِدِ جَمَاعَةً لَا صَلَاةً وَاحِدَةً فِي إِحْدَاهُمَا كَانَ مَأْمُومًا وَفِي الْأُخْرَى كَانَ إِمَامًا وَالدَّلِيلُ عَلَى أَنَّهُمَا كَانَا صَلَاتَيْنِ لَا صَلَاةً وَاحِدَةً أَنَّ فِي خَبَرِ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ عَائِشَةَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ خَرَجَ بَيْنَ رَجُلَيْنِ يُرِيدُ أَحَدُهُمَا الْعَبَّاسَ وَالْآخَرَ عَلِيًّا وَفِي خَبَرِ مَسْرُوقٍ، عَنْ عَائِشَةَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ خَرَجَ بَيْنَ بَرِيرَةَ وَنُوبَةَ فَهَذَا يَدُلَّكُ عَلَى أَنَّهَا كَانَتْ صَلَاتَيْنِ لَا صَلَاةً وَاحِدَةً»تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح. تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح، رجاله ثقات رجال الشيخين غيرنعيم بن أبي هند، فإنه من رجال مسلم وحده.
আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে অসুস্থতায় মারা যান, সে সময় তিনি আবূ বকর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর পিছনে বসে সালাত আদায় করেছেন।”[1] আবূ হাতিম ইবনু হিব্বান রহিমাহুল্লাহ বলেন, “এই হাদীসের মূল বক্তব্যে নু‘আইম বিন আবূ হিনদ আসিম বিন আবুন নাজূদের বিরোধিতা করেছেন। আসিম বিন আবুন নাজূদের বর্ণনায় এসেছে যে, আবূ বকর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু মুক্তাদী হয়ে সালাত আদায় করেছেন আর নু‘আইম বিন আবূ হিনদের বর্ণনায় এসেছে যে, আবূ বকর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু ইমাম হয়ে সালাত আদায় করেছেন। এখানে উভয় জনই হাফেযে হাদীস, নির্ভরযোগ্য মজবূত রাবী। কাজেই এটা কিভাবে জায়েয হতে পারে যে, দুটো হাদীসের মধ্যে একটিকে রহিতকারী সাব্যস্ত করা যাবে, যা পূ্র্বের ব্যাপক অর্থবোধক কোন বিষয়কে রহিত করে দিবে, অথচ তার মতোই আরেকটি হাদীসটি বাহ্যত তার সাথে সাংঘর্ষিক? আমরা আল্লাহ তাওফীক ও ইচ্ছায় বলি: এই ব্যাপারে সবগুলো হাদীসই বিশুদ্ধ। এর একটি হাদীসও অপর হাদীসের সাথে সাংঘর্ষিক নয়। বস্তুত রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর অসুস্থতার সময় জামা‘আতে দুইবার সালাত আদায় করেছেন; একবার নয়। একবার তিনি ইমাম ছিলেন আরেকবার তিনি মু্ক্তাদী ছিলেন। তিনি যে জামা‘আতে দুইবার সালাত আদায় করেছেন; একবার নয়- এই ব্যাপারে দলীল হলো উবাইদুল্লাহ বিন আব্দুল্লাহ রহিমাহুল্লাহ আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণনা করেছেন যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুইজন ব্যক্তির মাঝে থেকে মাসজিদের উদ্দেশ্য বের হয়েছিলেন, তাদের একজন আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু আরেকজন আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু। আর মাসরূক রহিমাহুল্লাহ আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণনা করেছেন যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুইজন ব্যক্তির মাঝে থেকে মাসজিদের উদ্দেশ্য বের হয়েছিলেন, তাদের একজন বারীরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা আরেকজন নূবা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা। কাজেই এটি প্রমাণ করে যে, এখানে দুটি সালাত ছিল; একটি নয়।”
[1] মুসান্নাফ ইবনু আবী শাইবাহ: ২/৩৩২; শারহু মাআনিল আসার: ১/৪০৬; আহমাদ: ৬/১৫৯; তিরমিযী: ৩৬২; সুনান বাইহাকী: ৩০৮৩; নাসাঈ: ২/৭৯; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ১৬২০। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (আত তা'লীকাতুল হিসান: ২১১৬)
[1] মুসান্নাফ ইবনু আবী শাইবাহ: ২/৩৩২; শারহু মাআনিল আসার: ১/৪০৬; আহমাদ: ৬/১৫৯; তিরমিযী: ৩৬২; সুনান বাইহাকী: ৩০৮৩; নাসাঈ: ২/৭৯; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ১৬২০। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (আত তা'লীকাতুল হিসান: ২১১৬)
সহীহ ইবনু হিব্বান (2119)