2106 - أَخْبَرَنَا عُمَرُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْهَمْدَانِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ شُعَيْبِ بْنِ اللَّيْثِ بْنِ سَعْدٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي، عَنْ جَدِّي، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَجْلَانَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ [ص:466] قَالَ: «ذَرُونِي مَا تَرَكْتُكُمْ، فَإِنَّمَا هَلَكَ مَنْ كَانَ قَبْلَكُمْ بِسُؤَالِهِمْ وَاخْتِلَافِهِمْ عَلَى أَنْبِيَائِهِمْ فَمَا، أُمِرْتُمْ فَأَتَوْا مِنْهُ مَا اسْتَطَعْتُمْ وَمَا نَهَيْتُ، عَنْهُ فَانْتَهُوا». قَالَ ابْنُ عَجْلَانَ: حَدَّثَنِي زَيْدُ بْنُ أَسْلَمَ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ السَّمَّانِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَزَادَ فِيهِ: «وَمَا أَخْبَرْتُكُمْ أَنَّهُ مِنْ عِنْدِ اللَّهِ فَهُوَ الَّذِي لَا شَكَّ فِيهِ». [1: 5]
رقم طبعة با وزير = (2103) قَالَ أَبُو حَاتِمٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ: «فِي هَذَا الْخَبَرِ بَيَانٌ وَاضِحٌ أَنَّ النَّوَاهِيَ عَنِ الْمُصْطَفَى صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كُلَّهَا عَلَى الْحَتْمِ وَالْإِيجَابِ حَتَّى تَقُومَ الدَّلَالَةُ عَلَى نُدْبِيَّتِهَا، وَأَنَّ أَوَامِرَهُ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِحَسْبِ الطَّاقَةِ وَالْوُسْعِ عَلَى الْإِيجَابِ حَتَّى تَقُومَ الدَّلَالَةُ عَلَى نُدْبِيَّتِهَا، قَالَ اللَّهُ جَلَّ وَعَلَا: {وَمَا آتَاكُمُ الرَّسُولُ فَخُذُوهُ وَمَا نَهَاكُمْ عَنْهُ فَانْتَهُوا} [الحشر: 7]، ثُمَّ نَفَى الْإِيمَانَ، عَنْ مَنْ لَمْ يُحَكِّمْ رَسُولَهُ فِيمَا شَجَرَ بَيْنَهُمْ مِنْ حَيْثُ لَا يَجِدُوا فِي أَنْفُسِهِمْ مِمَّا قَضَى وَحَكَمَ حَرَجًا وَيُسَلِّمُوا لِلَّهِ وَلِرَسُولِهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ تَسْلِيمًا بِتَرْكِ الْآرَاءِ الْمَعْكُوسَةِ وَالْمُقَايَسَاتِ الْمَنْكُوسَةِ، فَقَالَ: {فَلَا وَرَبِّكَ لَا يُؤْمِنُونَ حَتَّى [ص:467] يُحَكِّمُوكَ فِيمَا شَجَرَ بَيْنَهُمْ ثُمَّ لَا يَجِدُوا فِي أَنْفُسِهِمْ حَرَجًا مِمَّا قَضَيْتَ وَيُسَلِّمُوا تَسْلِيمًا} [النساء: 65]»تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - انظر ما قبله. تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده قوي على شرط مسلم
আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “আমি তোমাদেরকে যে অবস্থায় রাখি, তোমরা আমাকে সে অবস্থায় থাকতে দাও। কেননা তোমাদের পূর্ববর্তী জাতীর লোকেরা তাদের নবীদের ব্যাপারে মতানৈক্য ও অধিক প্রশ্ন করার কারণে ধ্বংস হয়ে গেছে। কাজেই আমি যখন কোন কিছুর আদেশ করি, তখন সেখান থেকে তোমাদের সাধ্য অনুযায়ী আমল করবে, আর যখন তোমাদেরকে কোন কিছু থেকে নিষেধ করি, তখন তোমরা তা থেকে বিরত থাকবে।” আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে ভিন্ন আরেকটি সানাদে বর্ণিত হয়েছে, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “আর আমি তোমাদেরকে যেই ব্যাপারে বলি যে, এটা আল্লাহর পক্ষ থেকে, তাতে কোন সন্দেহ নেই।” [1] আবূ হাতিম ইবনু হিব্বান রহিমাহুল্লাহ বলেন, “এই হাদীসে স্পষ্ট বিবরণ রয়েছে যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রত্যেকটি নিষেধ অবধারিতভাবে বর্জনীয়, যতক্ষন না অন্য কোন দলীল তা মুস্তাহাব হওয়ার উপর প্রমাণ করে। আর তাঁর প্রতিটি আদেশ সাধ্য অনুযায়ী অবধারিতভাবে পালনীয়, যতক্ষন না অন্য কোন দলীল তা মুস্তাহাব হওয়ার উপর প্রমাণ করে। মহান আল্লাহ বলেছেন, وَمَا آتَاكُمُ الرَّسُولُ فَخُذُوهُ وَمَا نَهَاكُمْ عَنْهُ فَانْتَهُوا (আর রাসূল তোমাদেরকে যা প্রদান করেন, তা তোমরা গ্রহণ করো, আর যা থেকে নিষেধ করেন, তা থেকে বিরত থাকো)।”–সূরা হাশর: ৭। তারপর মহান আল্লাহ তাদের ঈমান নাকচ করে দিয়েছেন যারা পরস্পরের মাঝে বিদ্যমান বিবাদের বিষয়ে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে ফায়সালীকারী হিসেবে নির্ধারণ না করবে অতঃপর তাঁর কৃত ফায়সালা কোন রকম বিরুদ্ধ মতামত না করে নির্দিধায় সর্বান্তকরণে মেনে নিবে এবং আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের প্রতি আত্নসমর্পন করবে। মহান আল্লাহ বলেন, فَلَا وَرَبِّكَ لَا يُؤْمِنُونَ حَتَّى يُحَكِّمُوكَ فِيمَا شَجَرَ بَيْنَهُمْ ثُمَّ لَا يَجِدُوا فِي أَنْفُسِهِمْ حَرَجًا مِمَّا قَضَيْتَ وَيُسَلِّمُوا تَسْلِيمًا (কিন্তু না, আপনার প্রভুর কসম, তারা মু‘মিন হবে না, যতক্ষন না নিজেদের বিবাদের বিষয়ে আপনাকে শালিস নিযু্ক্ত না করবে, অতঃপর আপনি যা ফায়সালা দিবেন, তাতে তারা নিজেদের মনে কোন সংকোচ অনুভব করবে না এবং তা সর্বান্তকরণে মেনে নিবে।-সূরা নিসা: ৭৫।”







[1] হাদীসটির তাখরীজ ১৮ নং হাদীসে গত হয়ে গেছে। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহাহ: ৮৫০)

সহীহ ইবনু হিব্বান (2106)