2091 - أَخْبَرَنَا أَبُو يَعْلَى، قَالَ: حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ النُّكْرِيُّ هُوَ الدَّوْرَقِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا شَبَابَةُ بْنُ سَوَّارٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ سَالِمِ بْنِ أَبِي الْجَعْدِ، عَنْ مَعْدَانَ بْنِ أَبِي طَلْحَةَ الْيَعْمُرِيِّ، قَالَ: خَطَبَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ، فَقَالَ: رَأَيْتُ كَأَنَّ دِيكًا أَحْمَرَ نَقَرَنِي نَقْرَةً أَوْ نَقْرَتَيْنِ، وَلَا أَرَى ذَلِكَ إِلَّا لِحُضُورِ أَجَلِي، فَإِنْ عَجِلَ بِي أَمْرٌ، فَإِنَّ الشُّورَى إِلَى هَؤُلَاءِ الرَّهْطِ السِّتَّةِ الَّذِينَ تُوُفِّيَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَهُوَ عَنهُمْ رَاضٍ، وَإِنِّي أَعْلَمُ أَنَّ نَاسًا سَيَطْعَنُونَ فِي هَذَا الْأَمْرِ، أَنَا قَاتَلْتُهُمْ بِيَدِي هَذِهِ عَلَى الْإِسْلَامِ، فَإِنْ فَعَلُوا، فَأُولَئِكَ أَعْدَاءُ اللَّهِ، الْكُفَّارُ الضُّلَّالُ، وَإِنِّي أَشْهَدُ عَلَى أُمَرَاءِ الْأَمْصَارِ، فَإِنِّي إِنَّمَا بَعَثْتُهُمْ لِيُعَلِّمُوا النَّاسَ دِينَهُمْ وَسُنَّةَ نَبِيِّهِمْ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَيَقْسِمُوا فِيهِمْ فَيْأَهُمْ، وَمَا أَغْلَظَ لِي رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي شَيْءٍ أَوْ مَا نَازَلْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي شَيْءٍ مِثْلَ آيَةِ الْكَلَالَةِ حَتَّى ضَرَبَ صَدْرِي وَقَالَ: يَكْفِيكَ آيَةُ الصَّيْفِ الَّتِي أُنْزِلَتْ فِي آخِرِ سُورَةِ النِّسَاءِ {يَسْتَفْتُونَكَ قُلِ اللَّهُ [ص:445] يُفْتِيكُمْ فِي الْكَلَالَةِ} [النساء: 176] وَسَأَقْضِي فِيهَا بِقَضَاءٍ يَعْلَمُهُ مَنْ يَقْرَأُ [وَمَنْ لَا يَقْرَأُ] هُوَ مَا خَلَا الْأَبِ [وَكَذَا أَحْسَبُ] أَلَا إِنَّكُمْ أَيُّهَا النَّاسُ تَأْكُلُونَ مِنْ شَجَرَتَيْنِ لَا أَرَاهُمَا إِلَّا خَبِيثَتَيْنِ الْبَصَلِ وَالثُّومِ، وَإِنْ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَأْمُرُ بِالرَّجُلِ يُوجَدُ مِنْهُ رِيحُهَا فَيَخْرُجُ إِلَى الْبَقِيعِ، فَمَنْ كَانَ لَا بُدَّ آكِلَهُمَا فَلْيُمِتْهُمَا طَبْخًا. [1: 6]
رقم طبعة با وزير = (2088)تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «الإرواء» (8/ 156 / 2514): م. تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط مسلم تنبيه!! وقع بعد جملة " ... وسكون الكاف" الصلاة على الرسول هكذا [ ... وسكون الكاف صلى الله عليه وسلم نسبة ... ] وهي خطأ مطبعي فحذفتها. - مدخل بيانات الشاملة -.
মা‘দান বিন আবূ তালহা আল ইয়ামুরী থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “উমার বিন খাত্তাব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু একবার খুতবায় বলেন, “আমি স্বপ্নে দেখেছি যে, যেন একটি লাল রঙের মোরগ আমাকে এক বা দুটি ঠোকর দেয়। আমি এটাই মনে করি যে, আমার আয়ুস্কাল ঘনিয়ে এসেছে। যদি আমি দ্রুত মারা যাই, তবে খলীফা নির্ধারণের ব্যাপারটি এই ছয়জনের পরামর্শের উপর ন্যাস্ত হবে, যাদের প্রতি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমৃত্যু সন্তুষ্ট ছিলেন। আমি জানি যে, কিছু লোক এই বিষয়ে আঘাত করবে। আমি ইসলামের জন্য তাদের বিরুদ্ধে আমার এই হাত দিয়ে যুদ্ধ করবো। যদি তারা এরকম করে, তবে তারা আল্লাহর শত্রু পথভ্রষ্ট কাফির। আমি বিভিন্ন শহরের প্রাদেশিক গভর্নরদের ব্যাপারে সাক্ষি দিচ্ছি যে, আমি তাদেরকে গভর্নরদের পাঠিয়েছি যাতে তারা মানুষদেরকে দ্বীন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সুন্নাহ শিক্ষা দেন এবং তাদের মাঝে ফাই (কাফিরদের থেকে যুদ্ধবিহীন প্রাপ্ত মাল) বন্টন করেন। নিঃসন্তান ব্যক্তির সম্পদ বন্টনের ব্যাপারে যতটা কঠোরতা অবলম্বন করা হয়েছে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমার প্রতি ততটা কঠোরতা আর কখনো করেননি, অথবা (রাবীর সন্দেহ উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেছেন) নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রতি এই রকম বিধান অবতীর্ণ হয়নি, এমনকি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমার বুকে আঘাত করেন এবং বলেন, “শীত কালে অবতীর্ণ সেই আয়াতটিই তোমার জন্য যথেষ্ট, যা সূরা নিসার শেষে অবতীর্ণ হয়েছে। আয়াতটি হলো, يَسْتَفْتُونَكَ قُلِ اللَّهُ يُفْتِيكُمْ فِي الْكَلَالَةِ (তারা আপনাকে (কালালাহ বা নিঃসন্তান ব্যক্তির উত্তরাধিকার সম্পর্কে) জিজ্ঞেস করছে। হে নাবী, আপনি বলুন, আল্লাহই তোমাদেরকে কালালাহ বা নিঃসন্তান ব্যক্তির উত্তরাধিকার সম্পর্কে জবাব দিচ্ছেন। ”–সূরা নিসা: ১৭৬)। অচিরেই আমি এই বিষয়ে এমন ফায়সালা দিবো, যারা কুরআন পড়তে জানে আর যারা পড়তে জানে না- সবাই জানতে পারবে। এটি বাবার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না। আমার ধারণা এমনটাই। জেনে রেখো, হে লোকসকল, তোমরা দুটি জিনিস খেয়ে থাকো, যেটাকে আমি খবীস বা মন্দ হিসেবেই জানি, সেটা হলো: পেঁয়াজ ও রসূন। নিশ্চয়ই যার মুখে এই দুটি উদ্ভিদের গন্ধ পাওয়া যেতো, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাদেরকে বাকী‘ নামক জায়গায় পাঠিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিতেন। আর যার এটা খেতেই হয়, সে যেন এটাকে রান্না করে মেরে ফেলে (গন্ধ দূর করে)।”[1]







[1] মুসনাদ আবী ইয়ালা: ২৫৬; সহীহ মুসলিম: ৫৬৭; সুনান বাইহাকী: ৬/২২৪; মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ২/৫১০; আত তায়ালিসী: ১১ পৃষ্ঠা; ‍মুসনাদ আহমাদ: ১/১৫; নাসাঈ: ২/৪৩; ইবনু মাজাহ: ১০১৪; তাহাবী, শারহু মা‘আনিল আসার: ৪/২৩৮; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ১৬৬৬। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (ইরওয়াউল গালীল: ৮/১৫৬)

সহীহ ইবনু হিব্বান (2091)