2074 - أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ سُفْيَانَ الشَّيْبَانِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ سَهْلٍ الْجَعْفَرِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا حُسَيْنُ بْنُ عَلِيٍّ، عَنْ أَبِي حَزْرَةَ الْمَدِينِيِّ، عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ مُحَمَّدٍ، قَالَ: كَانَ بَيْنَ عَائِشَةَ وَبَيْنَ بَعْضِ بَنِي أَخِيهَا شَيْءٌ، فَدَخَلَ عَلَيْهَا فَلَمَّا جَلَسَ جِيءَ بِالطَّعَامِ، فَقَامَ إِلَى الْمَسْجِدِ فَقَالَتْ لَهُ: اجْلِسْ غُدَرُ، فَإِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: «لَا يُصَلِّي أَحَدُكُمْ بِحَضْرَةِ الطَّعَامِ، وَلَا وَهُوَ يُدَافِعُهُ الْأَخْبَثَانِ». [2: 47]
رقم طبعة با وزير = (2071) قَالَ أَبُو حَاتِمٍ: الْمَرْءُ مَزْجُورٌ عَنِ الصَّلَاةِ عِنْدَ وُجُودِ [ص:431] الْبَوْلِ وَالْغَائِطِ، وَالْعِلَّةُ الْمُضْمَرَةُ فِي هَذَا الزَّجْرِ هِيَ أَنْ يَسْتَعْجِلَهُ أَحَدُهُمَا حَتَّى لَا يَتَهَيَّأَ لَهُ أَدَاءُ الصَّلَاةِ عَلَى حَسْبِ مَا يَجِبُ مِنْ أَجْلِهِ، وَالدَّلِيلُ عَلَى هَذَا تَصْرِيحُ الْخِطَابِ «وَلَا هُوَ يُدَافِعُهُ الْأَخْبَثَانِ» وَلَمْ يَقُلْ وَلَا هُوَ يَجِدُ الْأَخْبَثَيْنِ، وَالْجَمْعُ بَيْنَ الْأَخْبَثَيْنِ قُصِدَ بِهِ وُجُودُهُمَا مَعًا وَانْفِرَادُ كُلِّ وَاحِدٍ مِنْهُمَا لَا اجْتِمَاعُهُمَا دُونَ الِانْفِرَادِ، أَبُو حَزْرَةَ يَعْقُوبُ بْنُ مُجَاهِدٍتحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - المصدر نفسه. تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: الحسن بن سهل الجعفري: روى عنه الحسن بن سفيان وأبو زرعة وغيرهما، وذكره المؤلف في «الثقات» 8/ 177، وأورده ابن أبي حاتم 3/ 17، ولم يذكر فيه جرحاً ولا تعديلاً، ومن فوقه ثقات من رجال الشيخين غير أبي حزرة، فإنه من رجال مسلم وحده.
কাসিম বিন মুহাম্মাদ রহিমাহুল্লাহ বলেন, আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা ও তাঁর কোন এক ভাগ্নের মাঝে কিছুটা মনোমালিন্যতা ছিল। একবার তিনি আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহার বাড়িতে আসেন। যখন তিনি বসেন, তখন খাবার আনা হলো, এসময় তিনি মাসজিদে যাওয়ার জন্য উঠলে আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা বলেন, “নালায়েক! বসো। নিশ্চয়ই আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন, “তোমাদের কেউ যেন খাবার উপস্থিত হলে সালাতে না দাঁড়ায় এবং এমন অবস্থায়ও সালাতে দাঁড়াবে না এমন অবস্থায় যখন সে দুটি মন্দ জিনিস অর্থাৎ পেশাব ও পায়খানার চাপ অনুভব করে।”[1] আবূ হাতিম ইবনু হিব্বান রহিমাহুল্লাহ বলেন, “পেশাব ও পায়খানার চাপ নিয়ে সালাত করার ব্যাপারে এখানে হুশিয়ারী করা হয়েছে। এই হুশিয়ারীর অন্তর্নিহিত কারণ হলো এগুলো ব্যক্তিকে তাড়াহুড়ায় ফেলে দেয় এমনকি এর কারণে ব্যক্তি যেভাবে সালাত আদায় করা কর্তব্য সেভাবে আদায় করতে পারে। দলীল হলো হাদীসের স্পষ্ট শব্দ “পেশাব ও পায়খানার চাপ অনুভব করে” এরকম বলা হয়নি যে, পেশাব-পায়খানা অনুভব করে। পেশাব-পায়খানা একসাথে বলার দ্বারা উদ্দেশ্য হলো পেশাব-পায়খানা উভয়টির চাপ একসাথে অনুভব করলে অথবা যে কোন একটির চাপ অনুভব করলে; এটা উদ্দেশ্য নয় যে, পেশাব-পায়খানা উভয়টির চাপ একসাথে অনুভব করলে এই হুকুম প্রযোজ্য হবে আর যে কোন একটির চাপ অনুভব করলে এই হুকুম প্রযোজ্য হবে না। আবূ হাযরাহ রাবীর নাম ইয়াকূব বিন মুজাহিদ।”







[1] তাহাবী, মুশকিলুল আসার: ২/৪০৪-৪০৫; মুসনাদ আহমাদ: ৬/৪৩; সহীহ মুসলিম: ৫৬০; আবূ দাঊদ: ৮৯; আবূ আওয়ানা: ৩/১৬; সুনান বাইহাকী: ৩/৭১; বাগাবী, শারহুস ‍সুন্নাহ: ৮০১-৮০২; হাকিম: ১/১৬৮। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ :৮১)

সহীহ ইবনু হিব্বান (2074)