2063 - أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْمُثَنَّى، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو الرَّبِيعِ الزَّهْرَانِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْقُمِّيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا عِيسَى بْنُ جَارِيَةَ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: جَاءَ ابْنُ أُمِّ مَكْتُومٍ إِلَى [ص:413] النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، إِنِّي مَكْفُوفُ الْبَصَرِ شَاسِعُ الدَّارِ، فَكَلَّمَهُ فِي الصَّلَاةِ أَنْ يُرَخِّصَ لَهُ أَنْ يُصَلِّيَ فِي مَنْزِلِهِ قَالَ: «أَتَسْمَعُ الْأَذَانَ؟ » قَالَ: نَعَمْ قَالَ: «فَأْتِهَا وَلَوْ حَبْوًا». [1: 6]
رقم طبعة با وزير = (2060) [ص:414] قَالَ أَبُو حَاتِمٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ: فِي سُؤَالِ ابْنِ أُمِّ مَكْتُومٍ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ يُرَخِّصَ لَهُ فِي تَرْكِ إِتْيَانِ الْجَمَاعَاتِ وَقَوْلِهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «ائْتِهَا وَلَوْ حَبْوًا» أَعْظَمُ الدَّلِيلِ عَلَى أَنَّ هَذَا أَمْرُ حَتْمٍ لَا نَدْبٍ، إِذْ لَوْ كَانَ إِتْيَانُ [ص:415] الْجَمَاعَاتِ عَلَى مَنْ يَسْمَعُ النِّدَاءَ لَهَا غَيْرَ فَرْضٍ لَأَخْبَرَهُ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِالرُّخْصَةِ فِيهِ لِأَنَّ هَذَا جَوَابٌ خَرَجَ عَلَى سُؤَالٍ بِعَيْنِهِ وَمُحَالٌ أَنْ لَا يُوجَدَ لِغَيْرِ الْفَرِيضَةِ رُخْصَةٌتحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح لغيره؛ دون: «فَأْتِهَا وَلَوْ حَبْوًا»، وإنما هذا في الحضّ على الجماعة في صلاة العشاء والفجر؛ كما في حديث أُبَيّ المتقدِّم (2054) وحديث أبي هريرة الآتي (2095). تنبيه!! رقم (2054) = (2056) من «طبعة المؤسسة». رقم (2095) = (2098) من «طبعة المؤسسة». - مدخل بيانات الشاملة -. تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده ضعيف، عيسى بن جارية: قال ابن معين: ليس بذاك، عنده مناكير، وقال أبو زرعة: لا بأس به، وذكره المؤلف في «الثقات»، وقال أبو داود: منكر الحديث، وذكره الساجي، والعقيلي في «الضعفاء»، وقال ابن عدي: أحاديثه غير محفوظة، وفي «التقريب»: فيه لين.
رقم طبعة با وزير = (2060) [ص:414] قَالَ أَبُو حَاتِمٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ: فِي سُؤَالِ ابْنِ أُمِّ مَكْتُومٍ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ يُرَخِّصَ لَهُ فِي تَرْكِ إِتْيَانِ الْجَمَاعَاتِ وَقَوْلِهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «ائْتِهَا وَلَوْ حَبْوًا» أَعْظَمُ الدَّلِيلِ عَلَى أَنَّ هَذَا أَمْرُ حَتْمٍ لَا نَدْبٍ، إِذْ لَوْ كَانَ إِتْيَانُ [ص:415] الْجَمَاعَاتِ عَلَى مَنْ يَسْمَعُ النِّدَاءَ لَهَا غَيْرَ فَرْضٍ لَأَخْبَرَهُ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِالرُّخْصَةِ فِيهِ لِأَنَّ هَذَا جَوَابٌ خَرَجَ عَلَى سُؤَالٍ بِعَيْنِهِ وَمُحَالٌ أَنْ لَا يُوجَدَ لِغَيْرِ الْفَرِيضَةِ رُخْصَةٌتحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح لغيره؛ دون: «فَأْتِهَا وَلَوْ حَبْوًا»، وإنما هذا في الحضّ على الجماعة في صلاة العشاء والفجر؛ كما في حديث أُبَيّ المتقدِّم (2054) وحديث أبي هريرة الآتي (2095). تنبيه!! رقم (2054) = (2056) من «طبعة المؤسسة». رقم (2095) = (2098) من «طبعة المؤسسة». - مدخل بيانات الشاملة -. تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده ضعيف، عيسى بن جارية: قال ابن معين: ليس بذاك، عنده مناكير، وقال أبو زرعة: لا بأس به، وذكره المؤلف في «الثقات»، وقال أبو داود: منكر الحديث، وذكره الساجي، والعقيلي في «الضعفاء»، وقال ابن عدي: أحاديثه غير محفوظة، وفي «التقريب»: فيه لين.
জাবির বিন আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “একবার আব্দুল্লাহ বিন উম্মু মাকতূম রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে এসে বলেন, “হে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, আমি অন্ধ মানুষ, আমার বাড়িও দূরে...।” রাবী বলেন, “অতঃপর তিনি তাঁর সাথে কথা বলেন, যাতে তিনি তাকে বাড়িতে সালাত আদায় করার অনুমতি দেন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “তুমি কি আযান শুনতে পাও?” তিনি জবাবে বলেন, “জ্বী, হ্যা।” তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “তাহলে হামাগুড়ি দিয়ে হলেও জামা‘আতে উপস্থিত হও!”[1] আবূ হাতিম ইবনু হিব্বান রহিমাহুল্লাহ বলেন, “আব্দুল্লাহ বিন উম্মু মাকতূম রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু কর্তৃক নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে জামা‘আত ত্যাগ করার অনুমতি চাওয়া, আর নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কর্তৃক জবাবে বলা “তাহলে হামাগুড়ি দিয়ে হলেও জামা‘আতে উপস্থিত হও!” এখানে সবচেয়ে বড় দলীল রয়েছে এই মর্মে যে জামা‘আতে সালাত আদায় করার নির্দেশটি ফরয নির্দেশক; উত্তম নির্দেশক নয়। কেননা যদি আযান শ্রবণকারী ব্যক্তির জন্য যদি জামা‘আতে সালাত আদায় করা ফরয না হতো, তবে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অবশ্যই তাকে জামা‘আত তরক করার অনুমতি কথা বলতেন। কেননা প্রশ্নটি এজন্যই করা হয়েছে। আর এটা অসম্ভব যে, ফরয নয় এমন ক্ষেত্রে রুখসত পাওয়া যাবে না।”
[1] মুসনাদ আবূ ইয়ালা: ১৮০৩; মুসনাদ আহমাদ: ৩/৩৬৭; মাজমা‘উয যাওয়াইদ: ২/৪২; মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ১/৩৪৫; আবূ দাঊদ: ৫৫৩; নাসাঈ: ২/১১০; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ১৪৭৮; হাকিম: ১/২৪৬-২৪৭; ইবনু মাজাহ: ৭৯৬; সহীহ মুসলিম: ৬৫৩; আবূ আওয়ানা: ২/৬; সুনান বাইহাকী: ৩/৫৭। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ য‘ঈফ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটির “তাহলে হামাগুড়ি দিয়ে হলেও জামা‘আতে উপস্থিত হও!” এই অংশ বাদে বাকী অংশ সহীহ লিগাইরিহী বলেছেন। (আত তা‘লীকাতুল হিসান : ২০৬০)
[1] মুসনাদ আবূ ইয়ালা: ১৮০৩; মুসনাদ আহমাদ: ৩/৩৬৭; মাজমা‘উয যাওয়াইদ: ২/৪২; মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ১/৩৪৫; আবূ দাঊদ: ৫৫৩; নাসাঈ: ২/১১০; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ১৪৭৮; হাকিম: ১/২৪৬-২৪৭; ইবনু মাজাহ: ৭৯৬; সহীহ মুসলিম: ৬৫৩; আবূ আওয়ানা: ২/৬; সুনান বাইহাকী: ৩/৫৭। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ য‘ঈফ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটির “তাহলে হামাগুড়ি দিয়ে হলেও জামা‘আতে উপস্থিত হও!” এই অংশ বাদে বাকী অংশ সহীহ লিগাইরিহী বলেছেন। (আত তা‘লীকাতুল হিসান : ২০৬০)
সহীহ ইবনু হিব্বান (2063)