1986 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سَلْمٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ بْنُ مُسْلِمٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْأَوْزَاعِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنِي يَحْيَى بْنُ أَبِي كَثِيرٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبُو سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَنَتَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي صَلَاةِ الْعَتَمَةِ شَهْرًا، يَقُولُ فِي قُنُوتِهِ: «اللَّهُمَّ أَنْجِ الْوَلِيدَ بْنَ الْوَلِيدِ، اللَّهُمَّ نَجِّ سَلَمَةَ بْنَ هِشَامٍ، اللَّهُمَّ نَجِّ عَيَّاشَ بْنَ أَبِي رَبِيعَةَ، اللَّهُمَّ نَجِّ الْمُسْتَضْعَفِينَ مِنَ الْمُؤْمِنِينَ، اللَّهُمَّ اشْدُدْ وَطْأَتَكَ عَلَى مُضَرَ، اللَّهُمَّ اجْعَلْهَا عَلَيْهِمْ سِنِينَ كَسِنِي يُوسُفَ» قَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ: وَأَصْبَحَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ذَاتَ [ص:324] يَوْمٍ، فَلَمْ يَدَعْ لَهُمْ، فَذَكَرْتُ ذَلِكَ لَهُ فَقَالَ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «أَمَا تَرَاهُمْ قَدْ قَدِمُوا». [5: 16]
رقم طبعة با وزير = (1983) قَالَ أَبُو حَاتِمٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ: فِي هَذَا الْخَبَرِ بَيَانٌ وَاضِحٌ أَنَّ الْقُنُوتَ إِنَّمَا يُقْنَتُ فِي الصَّلَوَاتِ عِنْدَ حُدُوثِ حَادِثَةٍ، مِثْلَ ظُهُورِ أَعْدَاءِ اللَّهِ عَلَى الْمُسْلِمِينَ، أَوْ ظُلْمِ ظَالِمٍ ظُلِمَ الْمَرْءُ بِهِ، أَوْ تَعَدَّى عَلَيْهِ، أَوْ أَقْوَامٍ أَحَبَّ أَنْ يَدْعُوَ لَهُمْ، أَوْ أَسْرَى مِنَ [ص:325] الْمُسْلِمِينَ فِي أَيْدِي الْمُشْرِكِينَ، وَأَحَبَّ الدُّعَاءَ لَهُمْ بِالْخَلَاصِ مِنْ أَيْدِيهِمْ، أَوْ مَا يُشْبِهُ هَذِهِ الْأَحْوَالَ، فَإِذَا كَانَ بَعْضُ مَا وَصَفْنَا مَوْجُودًا، قَنَتَ الْمَرْءُ فِي صَلَاةٍ وَاحِدَةٍ، أَوِ الصَّلَوَاتِ كُلِّهَا، أَوْ بَعْضِهَا دُونَ بَعْضٍ بَعْدَ رَفْعِهِ رَأْسَهُ مِنَ الرُّكُوعِ فِي الرَّكْعَةِ الْآخِرَةِ مِنْ صَلَاتِهِ، يَدْعُو عَلَى مَنْ شَاءَ بِاسْمِهِ، وَيَدْعُو لِمَنْ أَحَبَّ بِاسْمِهِ، فَإِذَا عَدَمِ مِثْلَ هَذِهِ الْأَحْوَالِ لَمْ يَقْنُتْ حِينَئِذٍ فِي شَيْءٍ مِنْ صَلَاتِهِ، إِذِ الْمُصْطَفَى صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَقْنُتُ عَلَى الْمُشْرِكِينَ، وَيَدْعُو لِلْمُسْلِمِينَ بِالنَّجَاةِ، فَلَمَّا أَصْبَحَ يَوْمًا مِنَ الْأَيَّامِ تَرَكَ الْقُنُوتَ، فَذَكَرَ ذَلِكَ أَبُو هُرَيْرَةَ، فَقَالَ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «أَمَا تَرَاهُمْ قَدْ قَدِمُوا؟ » فَفِي هَذَا أَبْيَنُ الْبَيَانِ عَلَى صِحَّةِ مَا أَصَّلْنَاهُتحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - مضى (1966). تنبيه!! رقم (1966) = (1969) من «طبعة المؤسسة». - مدخل بيانات الشاملة -. تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط الشيخين غير عبد الرحمن بن إبراهيم، فإنه من رجال البخاري.
رقم طبعة با وزير = (1983) قَالَ أَبُو حَاتِمٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ: فِي هَذَا الْخَبَرِ بَيَانٌ وَاضِحٌ أَنَّ الْقُنُوتَ إِنَّمَا يُقْنَتُ فِي الصَّلَوَاتِ عِنْدَ حُدُوثِ حَادِثَةٍ، مِثْلَ ظُهُورِ أَعْدَاءِ اللَّهِ عَلَى الْمُسْلِمِينَ، أَوْ ظُلْمِ ظَالِمٍ ظُلِمَ الْمَرْءُ بِهِ، أَوْ تَعَدَّى عَلَيْهِ، أَوْ أَقْوَامٍ أَحَبَّ أَنْ يَدْعُوَ لَهُمْ، أَوْ أَسْرَى مِنَ [ص:325] الْمُسْلِمِينَ فِي أَيْدِي الْمُشْرِكِينَ، وَأَحَبَّ الدُّعَاءَ لَهُمْ بِالْخَلَاصِ مِنْ أَيْدِيهِمْ، أَوْ مَا يُشْبِهُ هَذِهِ الْأَحْوَالَ، فَإِذَا كَانَ بَعْضُ مَا وَصَفْنَا مَوْجُودًا، قَنَتَ الْمَرْءُ فِي صَلَاةٍ وَاحِدَةٍ، أَوِ الصَّلَوَاتِ كُلِّهَا، أَوْ بَعْضِهَا دُونَ بَعْضٍ بَعْدَ رَفْعِهِ رَأْسَهُ مِنَ الرُّكُوعِ فِي الرَّكْعَةِ الْآخِرَةِ مِنْ صَلَاتِهِ، يَدْعُو عَلَى مَنْ شَاءَ بِاسْمِهِ، وَيَدْعُو لِمَنْ أَحَبَّ بِاسْمِهِ، فَإِذَا عَدَمِ مِثْلَ هَذِهِ الْأَحْوَالِ لَمْ يَقْنُتْ حِينَئِذٍ فِي شَيْءٍ مِنْ صَلَاتِهِ، إِذِ الْمُصْطَفَى صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَقْنُتُ عَلَى الْمُشْرِكِينَ، وَيَدْعُو لِلْمُسْلِمِينَ بِالنَّجَاةِ، فَلَمَّا أَصْبَحَ يَوْمًا مِنَ الْأَيَّامِ تَرَكَ الْقُنُوتَ، فَذَكَرَ ذَلِكَ أَبُو هُرَيْرَةَ، فَقَالَ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «أَمَا تَرَاهُمْ قَدْ قَدِمُوا؟ » فَفِي هَذَا أَبْيَنُ الْبَيَانِ عَلَى صِحَّةِ مَا أَصَّلْنَاهُتحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - مضى (1966). تنبيه!! رقم (1966) = (1969) من «طبعة المؤسسة». - مدخل بيانات الشاملة -. تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط الشيخين غير عبد الرحمن بن إبراهيم، فإنه من رجال البخاري.
আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ফজরের সালাতে যখন রুকূ‘ থেকে মাথা উত্তোলন করতেন, তখন বলতেন, اللَّهُمَّ أَنْجِ الْوَلِيدَ بْنَ الْوَلِيدِ اللَّهُمَّ نَجِّ سَلَمَةَ بْنَ هِشَامٍ اللَّهُمَّ نَجِّ عَيَّاشَ بْنَ أَبِي رَبِيعَةَ اللَّهُمَّ نَجِّ الْمُسْتَضْعَفِينَ مِنَ الْمُؤْمِنِينَ اللَّهُمَّ اشْدُدْ وَطْأَتَكَ عَلَى مُضَرَ اللَّهُمَّ اجْعَلْهَا عَلَيْهِمْ سِنِينَ كَسِنِي يُوسُفَ (হে আল্লাহ, আপনি ওয়ালিদ বিন ওয়ালিদকে মুক্তি দিন, সালামা বিন হিশামকে মুক্তি দিন। হে আল্লাহ, আপনি আইয়াশ বিন আবী রবী‘আহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে মুক্তি দিন। হে আল্লাহ, আপনি দুর্বল মু‘মিনদের মুক্তি দিন। হে আল্লাহ আপনি মুদার গোত্রের উপর কঠিন শাস্তি দিন। হে আল্লাহ, সেটাকে ইউসুফ আলাইহিস সালামের সময়কার দুর্ভিক্ষের ন্যায় দুর্ভিক্ষে পরিণত করুন।) আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এরপর একদিন ফজরের সালাতে কুনূত পড়লেন না, আমি ব্যাপারটি তাঁকে বললে তিনি বলেন, “তুমি কি দেখ না যে, তারা চলে এসেছে?”[1] আবূ হাতিম ইবনু হিব্বান রহিমাহুল্লাহ বলেন, “এই হাদীসে স্পষ্ট বর্ণনা রয়েছে যে, নিশ্চয়ই কুনূতে নাযেলা পড়া হয় যখন কোন দুর্যোগ সংঘটিত হয়। যেমন: মুসলিমদের উপর আল্লাহর শত্রদের বিজয়, অথবা যখন কোন মানুষের উপর যুলম করা হয়, অথবা তার উপর সীমালঙ্ঘন করা হয়, অথবা কোন সম্প্রদায়ের উপর যুলম করা হয় আর সে সময় সে তাদের জন্য দু‘আ করতে চায়, অথবা মুশরিকদের হাতে যদি মুসলিম বন্দি থাকে এবং সে যদি তাদের জন্য দু‘আ করতে চায় যেন মহান a আল্লাহ্ তাদেরকে ওদের হাত থেকে রক্ষা করেন অথবা এই জাতীয় কোন কিছু ঘটে। আমরা যা বর্ণনা করলাম, যখন এসবের কোন কিছু ঘটবে, তখন মুসল্লী ব্যক্তি এক সালাতে, অথবা সব সালাতে অথবা কিছু সালাতে কুনূত পড়বেন। কুনূত পড়বেন সালাতের শেষ রাকা‘আতে রুকূ‘ থেকে মাথা উত্তোলন করার পর। এসময় তিনি যাদের বিরুদ্ধে ইচ্ছা নাম ধরে বদ দু‘আ করবেন, অথবা নাম ধরে তাদের জন্য দু‘আ করবেন। অতঃপর যখন এসব অবস্থার অবসান ঘটবে, তখন আর কোন সালাতেই কুনূতে নাযেলা পড়বে না। কেননা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মুসলিদের নাজাতের জন্য এবং মুশরিকদের উপর বদ দু‘আ করেছেন, অতঃপর একদিন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এরপর একদিন ফজরের সালাতে কুনূত পড়লেন না, আমি ব্যাপারটি তাঁকে বললে তিনি বলেন, “তুমি কি দেখ না যে, তারা চলে এসেছে?” কাজেই আমরা যা বর্ণনা করলাম, তার বিশুদ্ধতার ব্যাপারে এখানে খুবই স্পষ্ট দলীল রয়েছে।”
[1] মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৪০২৮; আবূ আওয়ানা: ২/২৮৩; সহীহ আল বুখারী: ৮০৪; সুনান বাইহাকী: ২/২০৭; দারকুতনী: ২/৩৮। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (আয য‘ঈফা: ২৫৪৪ আওতাভুক্ত)
[1] মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৪০২৮; আবূ আওয়ানা: ২/২৮৩; সহীহ আল বুখারী: ৮০৪; সুনান বাইহাকী: ২/২০৭; দারকুতনী: ২/৩৮। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (আয য‘ঈফা: ২৫৪৪ আওতাভুক্ত)
সহীহ ইবনু হিব্বান (1986)