1951 - أَخْبَرَنَا الْفَضْلُ بْنُ الْحُبَابِ الْجُمَحِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو الْوَلِيدِ، وَمُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ، قَالَا: أَخْبَرَنَا شُعْبَةُ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو إِسْحَاقَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْأَحْوَصِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: كُنَّا لَا نَدْرِي مَا نَقُولُ فِي كُلِّ رَكْعَتَيْنِ، إِلَّا أَنْ نُسَبِّحَ وَنُكَبِّرَ وَنُحَمِّدَ رَبَّنَا، وَإِنَّ مُحَمَّدًا صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عُلِّمَ فَوَاتِحَ الْخَيْرِ وَخَوَاتِمَهُ، أَوْ قَالَ جَوَامِعَهُ، وَإِنَّهُ قَالَ لَنَا: «إِذَا قَعَدْتُمْ فِي كُلِّ رَكْعَتَيْنِ فَقُولُوا: التَّحِيَّاتُ لِلَّهِ وَالصَّلَوَاتُ وَالطَّيِّبَاتُ، السَّلَامُ عَلَيْكَ أَيُّهَا النَّبِيُّ وَرَحْمَةُ اللَّهِ وَبَرَكَاتُهُ، السَّلَامُ عَلَيْنَا وَعَلَى عِبَادِ اللَّهِ الصَّالِحِينَ، أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ، وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ، ثُمَّ لِيَتَخَيَّرْ مِنَ الدُّعَاءِ مَا أَعْجَبَهُ، فَلْيَدْعُ بِهِ رَبَّهُ». [1: 20]
رقم طبعة با وزير = (1948) [ص:282] قَالَ أَبُو حَاتِمٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ: «الْأَمْرُ بِالْجُلُوسِ فِي كُلِّ رَكْعَتَيْنِ أَمْرُ فَرْضٍ دَلَّ فِعْلُهُ مَعَ تَرْكِ الْإِنْكَارِ عَلَى مَنْ خَلْفَهُ عَلَى أَنَّ الْجُلُوسَ الْأَوَّلَ نَدْبٌ، وَبَقِيَ الْآخَرُ عَلَى حَالَتِهِ فَرْضًا»تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صفة الصلاة»، «الإرواء» (2/ 43). تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط مسلم.
আব্দুল্লাহ বিন মাস‘উদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আমরা জানতাম না যে, আমরা প্রত্যেক দুই রাকা‘আতের বৈঠকে কী বলবো, তবে আমরা আল্লাহর বড়ত্ব, পবিত্রতা ঘোষনা ও তাঁর প্রশংসা করতাম। আর নাবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে কল্যাণের সমস্ত চাবিকাঠি ও কল্যাণের সন্নিবেশকারী বিষয় শিক্ষা দেওয়া হয়েছিল। তিনি আমাদের বলেন, “যখন তোমরা প্রত্যেক দ্বিতীয় রাকা‘আতে বসবে, তখন বলবে, التَّحِيَّاتُ لِلَّهِ وَالصَّلَوَاتُ وَالطَّيِّبَاتُ السَّلَامُ عَلَيْكَ أَيُّهَا النَّبِيُّ وَرَحْمَةُ اللَّهِ وَبَرَكَاتُهُ السَّلَامُ عَلَيْنَا وَعَلَى عِبَادِ اللَّهِ الصَّالِحِينَ أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ محمداً عبده ورسوله (সমস্ত অভিবাদন, সালাত ও পবিত্র জিনিস আল্লাহর জন্য। হে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, আপনার প্রতি বর্ষিত হোক আল্লাহর রহমত, বরকত ও সালাত। শান্তি বর্ষিত হোক আমাদের উপর এবং আল্লাহর সৎবান্দাদের উপর। -আবূ ওয়াইল আব্দুল্লাহ বিন মাস‘উদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু মারফত বর্ণিত হাদীসে বলেন, যখন তুমি এরকম বলবে, তখন আল্লাহর প্রত্যেক নৈকট্যশীল ফেরেস্তা, প্রেরিত নাবী এবং সৎ বান্দাদের কাছে পৌঁছে যাবে- আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া প্রকৃত কোন মা‘বূদ নেই আমি আরো সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর বান্দা ও রাসূল)। তারপর তোমরা তোমাদের যে দু‘আ ভালো লাগে, তার মাধ্যমে দু‘আ করবে।”[1] আবূ হাতিম ইবনু হিব্বান রহিমাহুল্লাহ বলেন, প্রত্যেক দ্বিতীয় রাকা‘আতে বসার যে নির্দেশ, তা ফরয নির্দেশক আদেশ। আর তাঁর পিছনের মুসল্লীদের প্রথম বৈঠক তরক করার কাজটি তাঁর কর্তৃক অস্বীকার না করা প্রমাণ করে যে, প্রথম বৈঠকটি মানদূব (যা পালন করা বাঞ্ছনীয়, তবে না পালন করলে গোনাহ হয় না) আর শেষ বৈঠক ফরয হওয়ার বৈশিষ্ট্যের উপর বহাল থাকলো।”







[1] মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ১/২১৯; সহীহ আল বুখারী: ১২২০; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ৭০৪; তাহাবী, শারহু মা‘আনিল আসার: ১/২৬৩; তাবারানী আল কাবীর: ৯৯০২; আবূ আওয়ানা: ২/২২৯; সুনান বাইহাকী: ২/১৩৮; মুসনাদ আহমাদ: ১/৪৩১; আবূ দাঊদ: ৯৬৮; ইবনু মাজাহ: ৮৯৯; সহীহ মুসলিম: ৪০২; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ: ৬৭৮; নাসাঈ: ৩/৪১; দারেমী: ১/৩০৮। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ৮৮৯)

সহীহ ইবনু হিব্বান (1951)