1949 - أَخْبَرَنَا أَبُو يَعْلَى، قَالَ: حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ الْجَعْدِ، قَالَ: أَخْبَرَنَا شُعْبَةُ، عَنْ حَمَّادٍ، عَنْ أَبِي وَائِلٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: كُنَّا نَقُولُ: السَّلَامُ عَلَى اللَّهِ، فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «لَا تَقُولُوا: السَّلَامُ عَلَى اللَّهِ؛ فَإِنَّ اللَّهَ هُوَ السَّلَامُ وَأَمَرَهُمْ بِالتَّشَهُّدِ: التَّحِيَّاتُ لِلَّهِ وَالصَّلَوَاتُ وَالطَّيِّبَاتُ، السَّلَامُ عَلَيْكَ أَيُّهَا النَّبِيُّ وَرَحْمَةُ اللَّهِ وَبَرَكَاتُهُ، السَّلَامُ عَلَيْنَا وَعَلَى عِبَادِ اللَّهِ الصَّالِحِينَ، أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ، وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ». [1: 94]
رقم طبعة با وزير = (1946)تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «الصحيح» -أيضا-. تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح رجاله رجال الصحيح، حماد هو ابن أبي سليمان الأشعري مولاهم، ابو إسماعيل الكوفي.
رقم طبعة با وزير = (1946)تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «الصحيح» -أيضا-. تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح رجاله رجال الصحيح، حماد هو ابن أبي سليمان الأشعري مولاهم، ابو إسماعيل الكوفي.
আব্দুল্লাহ বিন মাস‘উদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আমরা বলতাম “আল্লাহর উপর শান্তি বর্ষিত হোক।” তখন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের বলেন, “তোমরা এরকম বলো না যে, আল্লাহর উপর শান্তি বর্ষিত হোক। অতঃপর তিনি আমাদের এই তাশাহহুদ পাঠ করার আদেশ করেন, التَّحِيَّاتُ لِلَّهِ وَالصَّلَوَاتُ وَالطَّيِّبَاتُ السَّلَامُ عَلَيْكَ أَيُّهَا النَّبِيُّ وَرَحْمَةُ اللَّهِ وَبَرَكَاتُهُ السَّلَامُ عَلَيْنَا وَعَلَى عِبَادِ اللَّهِ الصَّالِحِينَ أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ (সমস্ত অভিবাদন, সালাত ও পবিত্র জিনিস আল্লাহর জন্য। হে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, আপনার প্রতি বর্ষিত হোক আল্লাহর রহমত, বরকত ও সালাত। শান্তি বর্ষিত হোক আমাদের উপর এবং আল্লাহর সৎবান্দাদের উপর। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া প্রকৃত কোন মা‘বূদ নেই আমি আরো সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর বান্দা ও রাসূল)। ”[1]
[1] মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ১/২১৯; সহীহ আল বুখারী: ১২২০; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ৭০৪; তাহাবী, শারহু মা‘আনিল আসার: ১/২৬৩; তাবারানী আল কাবীর: ৯৯০২; আবূ আওয়ানা: ২/২২৯; সুনান বাইহাকী: ২/১৩৮; মুসনাদ আহমাদ: ১/৪৩১; আবূ দাঊদ: ৯৬৮; ইবনু মাজাহ: ৮৯৯; সহীহ মুসলিম: ৪০২; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ: ৬৭৮; নাসাঈ: ৩/৪১; দারেমী: ১/৩০৮। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ৮৮৯)
[1] মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ১/২১৯; সহীহ আল বুখারী: ১২২০; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ৭০৪; তাহাবী, শারহু মা‘আনিল আসার: ১/২৬৩; তাবারানী আল কাবীর: ৯৯০২; আবূ আওয়ানা: ২/২২৯; সুনান বাইহাকী: ২/১৩৮; মুসনাদ আহমাদ: ১/৪৩১; আবূ দাঊদ: ৯৬৮; ইবনু মাজাহ: ৮৯৯; সহীহ মুসলিম: ৪০২; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ: ৬৭৮; নাসাঈ: ৩/৪১; দারেমী: ১/৩০৮। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ৮৮৯)
সহীহ ইবনু হিব্বান (1949)