1865 - أَخْبَرَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَلِيٍّ الْهَزَارِيُّ، بِسَارِيَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ عَلِيٍّ الْفَلَّاسُ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ الْقَطَّانُ، عَنْ عَبْدِ الْحَمِيدِ بْنِ جَعْفَرٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرِو بْنِ عَطَاءٍ، عَنْ أَبِي حُمَيْدٍ، قَالَ: سَمِعْتُهُ فِي عَشْرَةٍ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَحَدُهُمْ أَبُو قَتَادَةَ، قَالَ: أَنَا أَعْلَمُكُمْ بِصَلَاةِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالُوا: مَا كُنْتَ أَقْدَمَنَا لَهُ صُحْبَةً، وَلَا أَكْثَرَنَا لَهُ تَبَعَةً! قَالَ: بَلَى، قَالُوا: فَاعْرِضْ، قَالَ: «كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا قَامَ [ص:179] إِلَى الصَّلَاةِ، اسْتَقْبَلَ الْقِبْلَةَ، وَرَفَعَ يَدَيْهِ حَتَّى يُحَاذِيَ بِهِمَا مَنْكِبَيْهِ، ثُمَّ قَالَ: اللَّهُ أَكْبَرُ، وَإِذَا رَكَعَ، كَبَّرَ، وَرَفَعَ يَدَيْهِ حِينَ رَكَعَ، ثُمَّ يَعْتَدِلُ فِي صُلْبِهِ وَلَمْ يَنْصِبْ رَأْسَهُ وَلَمْ يُقَنِّعْهُ، ثُمَّ رَفَعَ رَأْسَهُ، وَقَالَ: سَمِعَ اللَّهُ لِمَنْ حَمِدَهُ، وَرَفَعَ يَدَيْهِ حَتَّى يُحَاذِيَ بِهِمَا مَنْكِبَيْهِ، ثُمَّ اعْتَدَلَ، ثُمَّ سَجَدَ وَاسْتَقْبَلَ بِأَطْرَافِ رِجْلَيْهِ الْقِبْلَةَ، ثُمَّ رَفَعَ رَأْسَهُ فَقَالَ: اللَّهُ أَكْبَرُ، فَثَنَى رِجْلَهُ الْيُسْرَى، وَقَعَدَ وَاعْتَدَلَ حَتَّى يَرْجِعَ كُلُّ عَظْمٍ إِلَى مَوْضِعِهِ مُعْتَدِلًا، ثُمَّ قَالَ: اللَّهُ أَكْبَرُ، وَإِذَا قَامَ مِنَ الرَّكْعَتَيْنِ، كَبَّرَ، ثُمَّ قَامَ حَتَّى إِذَا كَانَتِ الرَّكْعَةُ الَّتِي [ص:180] تَنْقَضِي فِيهَا أَخَّرَ رِجْلَهُ الْيُسْرَى وَقَعَدَ عَلَى رِجْلِهِ مُتَوَرِّكًا، ثُمَّ سَلَّمَ». [5: 4]
رقم طبعة با وزير = (1862)تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (720). تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط مسلم، عبد الحميد بن جعفر: من رجال مسلم، وباقي السند من رجال الشيخين.
رقم طبعة با وزير = (1862)تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (720). تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط مسلم، عبد الحميد بن جعفر: من رجال مسلم، وباقي السند من رجال الشيخين.
আবূ হুমাইদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আমি দশজন সাহাবীর মাঝে এই হাদীস শুনেছি, তাদের মাঝে একজন আবূ কাতাদা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু, তিনি বলেন, “আমি আপনাদের মাঝে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সালাতের বিষয়ে সবচেয়ে বেশি অবগত।” তখন অন্যান্য সাহাবীগণ বললেন, “আপনি তো আমাদের মাঝে সাহাবী হওয়ার দিক থেকে অগ্রগামী ছিলেন না, অনুসারী হওয়ার দিক দিয়েও আধিক্যের অধিকারী না!” জবাবে তিনি বলেন, “হ্যাঁ।” তাঁরা বললেন, “আপনি (রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সালাতের বিবরণ) পেশ করুন।” তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সালাতে দাঁড়াতেন, তখন কিবলামুখী হতেন এবং রফ‘উল ইয়াদাইন করতেন, হাতকে কাঁধ বরাবর করতেন। তারপর ‘আল্লাহু আকবার’ বলতেন। অতঃপর যখন রুকূ‘ করতেন, তখন তাকবীর দিতেন এবং রফ‘উল ইয়াদাইন করতেন। তারপর রুকূ‘তে পিঠ সোজা করতেন; পিঠকে উঁচু করতেন না আবার নিচুও করতেন না। তারপর রুকূ‘ থেকে মাথা উত্তোলন করতেন, বলতেন, سَمِعَ اللَّهُ لِمَنْ حَمِدَهُ (আল্লাহ শ্রবণ করেন, যে তাঁর প্রশংসা করে) এবং রফ‘উল ইয়াদাইন করতেন, এমনকি তা কাঁধ বরাবর করতেন। তারপর সোজা হয়ে দাঁড়াতেন। তারপর সাজদা করতেন। তিনি পায়ের আঙ্গুলগুলোকে কিবলামুখী করতেন। তারপর সাজদা থেকে মাথা উত্তোলন করতেন এবং বলতেন ‘আল্লাহু আকবার’। আর যখন দ্বিতীয় রাকা‘আত থেকে দাঁড়াতেন, তখন তাকবীর দিতেন তারপর দাঁড়াতেন। এভাবে যখন শেষ রাকা‘আতে থাকতেন, তখন তিনি বাম পা বের করে দিতেন এবং তাঁর পায়ের উপর তাওয়ার্রুক করে বসতেন। তারপর সালাম ফেরাতেন।”[1]
[1] মুসনাদ আহমাদ: ৫/৪২৪; ইমাম বুখারী, কুররাতুল আইনাইন: ৫; আবূ দাঊদ: ৭৩০, ৯৬৩; তিরমিযী: ৩০৪; নাসাঈ: ৩/৩৪; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ: ৫৫৫; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ৫৮৭; মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ১/২৩৫; বাইহাকী: ২/২৬। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ৭২০)
[1] মুসনাদ আহমাদ: ৫/৪২৪; ইমাম বুখারী, কুররাতুল আইনাইন: ৫; আবূ দাঊদ: ৭৩০, ৯৬৩; তিরমিযী: ৩০৪; নাসাঈ: ৩/৩৪; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ: ৫৫৫; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ৫৮৭; মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ১/২৩৫; বাইহাকী: ২/২৬। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ৭২০)
সহীহ ইবনু হিব্বান (1865)