1851 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سَلْمٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: حَدَّثَنا الْوَلِيدُ قَالَ: حَدَّثَنَا الْأَوْزَاعِيُّ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ مَنْ، سَمِعَ أَبَا هُرَيْرَةَ، يَقُولُ: صَلَّى بِنَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صَلَاةً، فَجَهَرَ فِيهَا بِالْقِرَاءَةِ، فَلَمَّا سَلَّمَ، قَالَ: «هَلْ قَرَأَ مَعِي مِنْكُمْ أَحَدٌ آنِفًا؟ » قَالُوا: نَعَمْ يَا رَسُولَ اللَّهِ، قَالَ: «إِنِّي أَقُولُ مَا لِي أُنَازَعُ الْقُرْآنَ؟ ». قَالَ الزُّهْرِيُّ: «فَانْتَهَى الْمُسْلِمُونَ، فَلَمْ يَكُونُوا يَقْرَءُونَ مَعَهُ» [1: 21]
رقم طبعة با وزير = (1848) قَالَ أَبُو حَاتِمٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ: هَذَا خَبَرٌ مَشْهُورٌ لِلزُّهْرِيِّ مِنْ رِوَايَةِ أَصْحَابِهِ، عَنِ ابْنِ أُكَيْمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، وَوَهِمَ فِيهِ الْأَوْزَاعِيُّ - إِذِ الْجَوَادُ يَعْثُرُ - فَقَالَ: عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيِّبِ، فَعَلِمَ الْوَلِيدُ بْنُ مُسْلِمٍ، أَنَّهُ وَهِمَ، فَقَالَ: عَنْ مَنْ سَمِعَ أَبَا هُرَيْرَةَ وَلَمْ يَذْكُرْ سَعِيدًا، وَأَمَّا قَوْلُ الزُّهْرِيِّ: فَانْتَهَى النَّاسُ عَنِ الْقِرَاءَةِ، أَرَادَ بِهِ رَفْعَ الصَّوْتِ خَلْفَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ [ص:162] عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، اتِّبَاعًا مِنْهُمْ لِزَجْرِهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ رَفْعِ الصَّوْتِ وَالْإِمَامُ يَجْهَرُ بِالْقِرَاءَةِ فِي قَوْلِهِ: «مَا لِي أُنَازَعُ الْقُرْآنَ؟ »تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - انظر ما قبله. تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: رجاله ثقات، لكن فيه الوهم الذي سيبينه المؤلف بإثره.
رقم طبعة با وزير = (1848) قَالَ أَبُو حَاتِمٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ: هَذَا خَبَرٌ مَشْهُورٌ لِلزُّهْرِيِّ مِنْ رِوَايَةِ أَصْحَابِهِ، عَنِ ابْنِ أُكَيْمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، وَوَهِمَ فِيهِ الْأَوْزَاعِيُّ - إِذِ الْجَوَادُ يَعْثُرُ - فَقَالَ: عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيِّبِ، فَعَلِمَ الْوَلِيدُ بْنُ مُسْلِمٍ، أَنَّهُ وَهِمَ، فَقَالَ: عَنْ مَنْ سَمِعَ أَبَا هُرَيْرَةَ وَلَمْ يَذْكُرْ سَعِيدًا، وَأَمَّا قَوْلُ الزُّهْرِيِّ: فَانْتَهَى النَّاسُ عَنِ الْقِرَاءَةِ، أَرَادَ بِهِ رَفْعَ الصَّوْتِ خَلْفَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ [ص:162] عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، اتِّبَاعًا مِنْهُمْ لِزَجْرِهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ رَفْعِ الصَّوْتِ وَالْإِمَامُ يَجْهَرُ بِالْقِرَاءَةِ فِي قَوْلِهِ: «مَا لِي أُنَازَعُ الْقُرْآنَ؟ »تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - انظر ما قبله. تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: رجاله ثقات، لكن فيه الوهم الذي سيبينه المؤلف بإثره.
আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একবার আমাদের নিয়ে এক সালাত আদায় করেন এবং তিনি তাতে কিরা‘আত জোরে পড়েন। তার সাথে লোকজনও কিরা‘আত পড়েন। অতঃপর যখন তিনি সালাম ফেরান, তখন বলেন, “তোমাদের কেউ কি এক্ষুনি আমার সাথে কিরা‘আত পাঠ করেছে?” তখন লোকজন বলেন, “হ্যাঁ, হে আ্ল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম।” তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, “তাইতো আমি বলি, কী ব্যাপার! আমার সাথে কুরআন নিয়ে টানাটানি করা হচ্ছে!” ইমাম যুহরী রহিমাহুল্লাহ বলেন, “অতঃপর মুসলিমগণ নিবৃত্ত থাকেন করেন। তারপর তারা আর কিরা‘আত পাঠ করতেন না।”[1] আবূ হাতিম ইবনু হিব্বান রহিমাহুল্লাহ বলেন, “এই হাদীসটি ইমাম যুহরীর প্রশিদ্ধ হাদীস, যা তাঁর ছাত্ররা ইবনু উকাইমার সূত্রে আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেছেন। এক্ষেত্রে ইমাম আওযা‘ঈ রহিমাহুল্লাহ ভুল করেছেন –কারণ উৎকৃষ্ট মানের ঘোড়াও কখনো কখনো হোচট খায়- তিনি ইমাম যুহরীর সূত্রে সা‘ঈদ বিন মুসাইয়্যিব রহিমাহুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেছেন। ওয়ালীদ বিন মুসলিম রহিমাহুল্লাহ ব্যাপারটি জানতে পেরেছেন যে ইমাম আওযা‘ঈ রহিমাহুল্লাহ এখানে ভুল করেছেন। এজন্য তিনি বলেছেন, “ইমাম যুহরী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন ঐ ব্যক্তি থেকে যিনি হাদীসটি আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেছেন।” তিনি সা‘ঈদ বিন মুসাইয়্যিব রহিমাহুল্লাহর নাম উল্লেখ করেননি। আর ইমাম যুহরী রহিমাহুল্লাহর বক্তব্য “অতঃপর মুসলিমগণ কিরা‘আত পাঠ থেকে বিরত থাকেন” এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পিছনে উঁচু আওয়াজে কিরা‘আত পাঠ থেকে বিরত থাকা। যেহেতু রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইমাম জোরে কিরা‘আত পাঠকালীন সময় তাদেরকে উঁচু আওয়াজে কিরা‘আতের ব্যাপারে ধমকী দিয়েছেন। তিনি হুশিয়ারী করে বলেছেন, “কী ব্যাপার! আমার সাথে কুরআন নিয়ে টানাটানি করা হচ্ছে!”
[1] বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ: ৬০৭; মুয়াত্তা ইমাম মালিক: ১/৮৬-৮৭; মুসনাদ ইমাম শাফে‘ঈ: ১/১৩৯; ইমাম বুখারী, আল কিরা‘আত খলফাল ইমাম: ৯৬; আবূ দাঊদ: ৮২৬; তিরমিযী: ৩১২; সুনান বাইহাকী: ২/১৫৮; বাইহাকী, আল কিরা‘আত খলফাল ইমাম: ৩১৭; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ২৭৯৫; মুসনাদ আহমাদ: ২/২৮৪; ইবনু মাজাহ: ৮৪৯। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ৭৮১)
[1] বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ: ৬০৭; মুয়াত্তা ইমাম মালিক: ১/৮৬-৮৭; মুসনাদ ইমাম শাফে‘ঈ: ১/১৩৯; ইমাম বুখারী, আল কিরা‘আত খলফাল ইমাম: ৯৬; আবূ দাঊদ: ৮২৬; তিরমিযী: ৩১২; সুনান বাইহাকী: ২/১৫৮; বাইহাকী, আল কিরা‘আত খলফাল ইমাম: ৩১৭; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ২৭৯৫; মুসনাদ আহমাদ: ২/২৮৪; ইবনু মাজাহ: ৮৪৯। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ৭৮১)
সহীহ ইবনু হিব্বান (1851)