1684 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سَلْمٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْأَوْزَاعِيُّ، قَالَ: [ص:581] حَدَّثَنِي يَحْيَى بْنُ أَبِي كَثِيرٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: حَدَّثَنِي عِيسَى بْنُ طَلْحَةَ، قَالَ: كُنَّا عِنْدَ مُعَاوِيَةَ، «إِذْ سَمِعَ الْمُنَادِي يَقُولُ: اللَّهُ أَكْبَرُ، اللَّهُ أَكْبَرُ، فَقَالَ مُعَاوِيَةُ: اللَّهُ أَكْبَرُ، فَلَمَّا قَالَ: أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ، قَالَ مُعَاوِيَةُ: وَأَنَا أَشْهَدُ، فَلَمَّا قَالَ: أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: وَأَنَا أَشْهَدُ»، ثُمَّ قَالَ مُعَاوِيَةُ: هَكَذَا سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ. [5: 12]
رقم طبعة با وزير = (1682)تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح: خ (914). تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط البخاري، عبد الرحمن بن إبراهيم ثقة من رجال البخاري، وباقي السند على شرطهما، والوليد - هو ابن مسلم - قد صرح بالتحديث
رقم طبعة با وزير = (1682)تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح: خ (914). تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط البخاري، عبد الرحمن بن إبراهيم ثقة من رجال البخاري، وباقي السند على شرطهما، والوليد - هو ابن مسلم - قد صرح بالتحديث
ইসা বিন তালহা (রহ.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আমরা মু‘আবিয়া রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর কাছে ছিলাম, এমন সময় তিনি মুয়ায্যিনকে বলতে শুনেন, তিনি বলছেন, “আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার, (আল্লাহ সবচেয়ে বড়, আল্লাহ সবচেয়ে বড়।)”, তখন মু‘আবিয়া রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুও বলেন, “আল্লাহু আকবার, (আল্লাহ সবচেয়ে বড়)।” মুয়ায্যিন যখন বলেন, “আশহাদু আল্-লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, (আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া প্রকৃত কোন মা‘বূদ নেই।), তখন মু‘আবিয়া রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুও বলেন, “ওয়া আনা আশহাদু (আমিও সাক্ষ্য দিচ্ছি)।” মুয়ায্যিন যখন বলেন, “ আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসূলুল্লাহ (আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর রসূল), তখন মু‘আবিয়া রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুও বলেন, “ওয়া আনা আশহাদু (আমিও সাক্ষ্য দিচ্ছি)।” অতঃপর মু‘আবিয়া রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “এভাবে আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি।”[1]
[1] মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ১৮৮৪; মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ১/২২৬; মুসনাদ আহমাদ: ৪/৯১; সহীহ আল বুখারী: ৬১২; আবূ আওয়ানা: ১/৩৩৮; দারেমী: ১/২৭২; তাহাবী, শারহু মা‘আনিল আসার: ১/১৪৫; সুনান বাইহাকী: ১/৪০৯; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ৪১৪। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ বুখারীর শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (আত তা‘লীকাতুল হিসান: ১৬৮২)
[1] মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ১৮৮৪; মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ১/২২৬; মুসনাদ আহমাদ: ৪/৯১; সহীহ আল বুখারী: ৬১২; আবূ আওয়ানা: ১/৩৩৮; দারেমী: ১/২৭২; তাহাবী, শারহু মা‘আনিল আসার: ১/১৪৫; সুনান বাইহাকী: ১/৪০৯; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ৪১৪। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ বুখারীর শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (আত তা‘লীকাতুল হিসান: ১৬৮২)
সহীহ ইবনু হিব্বান (1684)