1680 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْأَزْدِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَكْرٍ، قَالَ: أَخْبَرَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ أَبِي مَحْذُورَةَ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ مُحَيْرِيزٍ، أَخْبَرَهُ - وَكَانَ يَتِيمًا فِي حِجْرِ أَبِي مَحْذُورَةَ حِينَ جَهَّزَهُ إِلَى الشَّامِ - قَالَ: قُلْتُ لِأَبِي مَحْذُورَةَ: إِنِّي أُرِيدُ أَنْ أَخْرُجَ إِلَى الشَّامِ، وَإِنِّي أَسْأَلُ عَنْ تَأْذِينِكَ، فَأَخْبِرْنِي، قَالَ: خَرَجْتُ فِي نَفَرٍ، فَكُنَّا فِي بَعْضِ طَرِيقِ حُنَيْنٍ، مَقْفَلَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنْ حُنَيْنٍ، فَلَقِيَنَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي بَعْضِ الطَّرِيقِ، فَأَذَّنَ مُؤَذِّنُ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِالصَّلَاةِ عِنْدَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَسَمِعْنَا الصَّوْتَ وَنَحْنُ مُتَنَكِّبُونَ عَنِ الطَّرِيقِ، فَصَرَخْنَا نَسْتِهْزِئُ، نَحْكِيهِ، فَسَمِعَ الصَّوْتَ، فَقَالَ: «أَيُّكُمْ يَعْرِفُ هَذَا الَّذِي أَسْمَعُ الصَّوْتَ؟ » قَالَ: فَجِيءَ بِنَا، فَوَقَفْنَا بَيْنَ يَدَيْهِ، فَقَالَ: «أَيُّكُمْ صَاحِبُ الصَّوْتِ؟ » قَالَ: فَأَشَارَ [ص:575] الْقَوْمُ كُلُّهُمْ إِلَيَّ، قَالَ: فَأَرْسَلَهُمْ وَحَبَسَنِي عِنْدَهُ، وَلَا شَيْءَ أَكْرَهُ إِلَيَّ مِمَّا يَأْمُرُنِي بِهِ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَأَمَرَنِي بِالْأَذَانِ، وَأَلْقَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَلَيَّ نَفْسُهُ الْأَذَانَ، فَقَالَ: «قُلِ: اللَّهُ أَكْبَرُ، اللَّهُ أَكْبَرُ، اللَّهُ أَكْبَرُ، اللَّهُ أَكْبَرُ، أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ، أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ، أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ، أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ»، ثُمَّ قَالَ لِي: «ارْجِعْ وَامْدُدْ صَوْتَكَ»، قَالَ: «أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ، أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ، أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ، أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ، حَيَّ عَلَى الصَّلَاةِ، حَيَّ عَلَى الصَّلَاةِ، حَيَّ عَلَى الْفَلَاحِ، حَيَّ عَلَى الْفَلَاحِ، اللَّهُ أَكْبَرُ، اللَّهُ أَكْبَرُ، لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ»، فَلَمَّا فَرَغَ مِنَ التَّأْذِينِ دَعَانِي فَأَعْطَانِي صُرَّةً فِيهَا شَيْءٌ مِنْ فِضَّةٍ، وَقَالَ: «اللَّهُمَّ بَارِكْ فِيهِ وَبَارِكْ عَلَيْهِ»، قَالَ: فَقُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، مُرْنِي بِالتَّأْذِينِ، قَالَ: «قَدْ أَمَرْتُكَ بِهِ»، قَالَ: فَعَادَ كُلُّ شَيْءٍ مِنَ الْكَرَاهِيَةِ فِي الْقَلْبِ إِلَى الْمَحَبَّةِ، فَقَدِمْتُ عَلَى عَتَّابِ بْنِ أُسَيْدٍ عَامَلِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَكُنْتُ أُأَذِّنُ بِمَكَّةَ عَنْ أَمْرِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ. [1: 94]
رقم طبعة با وزير = (1678) [ص:576] قَالَ ابْنُ جُرَيْجٍ: وَأَخْبَرَنِي غَيْرُ وَاحِدٍ مِنْ أَهْلِي خَبَرَ ابْنِ مُحَيْرِيزٍ هَذَا عَنْ أَبِي مَحْذُورَةَتحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (518). تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده حسن وهو حديث صحيح بطرقه، عبد العزيز بن عبد الملك روى عنه جمع، وذكره المؤلف في «الثقات»، وباقي رجال السند على شرط الشيخين، محمد بن بكر: هو محمد بن بكر بن عثمان البرساني.
আব্দুল্লাহ বিন মুহাইরিয (রহ.) থেকে বর্ণিত, তিনি আবূ মাহযূরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর গৃহে ইয়াতিম অবস্থায় প্রতিপালিত হয়েছেন, তিনি যখন আবূ মাহযূরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে শামে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত করে দিচ্ছেন, তখন তাকে বলেন, “আমিও আপনার সাথে শামে যেতে চাই। আর আমি আপনাকে আপনার আযান দেওয়ার ঘটনা সম্পর্কে জানতে চাই। অনুগ্রহ করে আমাকে তা অবহিত করুন।” জবাবে তিনি বলেন, “আমি কিছু লোকের সাথে বের হয়েছিলাম আমরা এ সময় হুনাইনের পথে ছিলাম, যে পথে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হুনাইন থেকে ফিরছিলেন। ফলে রাস্তায় আমাদের সাথে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দেখা হয়। এসময় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট মুয়ায্যিন সালাতের আযান দেন। আমরা সেই আযানের আওয়াজ শুনতে পাই এমন অবস্থায় যে আমরা ভিন্ন পথে যাচ্ছিলাম। আমরা চিৎকার করে আযান দিয়ে উপহাস করছিলাম। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের আওয়াজ শুনতে পান। তিনি বলেন, “আমি যার আওয়াজ শুনতে পাচ্ছি, তোমাদের মধ্যে কে তাকে চিনে?” রাবী বলেন, “তারপর আমাদেরকে ধরে আনা হলো। আমরা তাঁর সামনে দাঁড়ালাম। তিনি বললেন, “তোমাদের মাঝে কে আওয়াজ দিচ্ছিল?” রাবী বলেন, “তখন আমার কওমের সবাই আমার দিকে ইশারা করেন।” তিনি বলেন, “অতঃপর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে ছেড়ে দেন আর আমাকে আটকে রাখেন। তিনি আমাকে আযান দেওয়ার নির্দেশ দেন। আর এসময় আমার কাছে এর চেয়ে অপছন্দনীয় জিনিস আর কিছু ছিল না। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজে আমাকে আযান শিক্ষা দেন। তিনি বলেন, “তুমি বলো, “আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার, (আল্লাহ সবচেয়ে বড়। আল্লাহ সবচেয়ে বড়। আল্লাহ সবচেয়ে বড়। আল্লাহ সবচেয়ে বড়), (ক্ষীণ আওয়াজে বলবে) আশহাদু আল্-লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, আশহাদু আল্-লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসূলুল্লাহ, আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসূলুল্লাহ, (আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া প্রকৃত কোন মা‘বূদ নেই। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া প্রকৃত কোন মা‘বূদ নেই। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর রসূল। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর রসূল।) তারপর তিনি আমাকে বলেন, “তুমি তারজী‘ করো এবং উচ্চ আওয়াজে আবার বলো, “আশহাদু আল্-লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, আশহাদু আল্-লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ; (আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া প্রকৃত কোন মা‘বূদ নেই। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া প্রকৃত কোন মা‘বূদ নেই।) আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসূলুল্লাহ, আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসূলুল্লাহ, (আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর রসূল। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর রসূল।) হাইয়্যা ‘আলাস সালাহ, হাইয়্যা ‘আলাস সালাহ; (এসো সালাতের দিকে। এসো সালাতের দিকে।) হাইয়্যা ‘আলাল ফালাহ, হাইয়্যা ‘আলাল ফালাহ, (এসো সফলতার দিকে। এসো সফলতার দিকে।) আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার, (আল্লাহ সবচেয়ে বড়, আল্লাহ সবচেয়ে বড়।) লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ (আল্লাহ ছাড়া প্রকৃত কোন মা‘বূদ নেই)।” যখন তিনি আযান শিক্ষা দেওয়া শেষ করলেন, তখন তিনি আমাকে একটি থলে দিলেন, যাতে কিছু রুপা ছিল। তিনি আমার জন্য দু‘আ করে বলেন, “اللَّهُمَّ بَارِكْ فِيهِ وَبَارِكْ عَلَيْهِ (হে আল্লাহ, আপনি এর মাঝে বারাকাহ দিন এবং তার উপর বারাকাহ দিন।” রাবী বলেন, “আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, আমাকে আযান দেওয়ার নির্দেশ দিন।” রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “আদেশ করলাম।” রাবী বলেন, “তারপর আমার অন্তরের সমস্ত বিতৃষ্ণা ভালবাসায় পরিণত হয়। অতঃপর আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের গভর্নর আত্তাব বিন উসাইদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর কাছে আসি এবং রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নির্দেশে মক্কায় আযান দেই।”[1] ইবনু জুরাইজ রহিমাহুল্লাহ বলেন, “আমার পরিবারের একাধিক ব্যক্তি আবূ মাহযূরাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে ইবনু মুহাইরিযের এই হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।”







[1] মুসনাদ আহমাদ: ৩/৪০৯; মুসনাদ ইমাম শাফে‘ঈ: ১/৫৭-৫৮; আবূ দাঊদ: ৫০৩; নাসাঈ: ২/৫-৬; ইবনু মাজাহ: ৭০৮; তাহাবী, শারহু মা‘আনিল আসার: ১/১৩০; দারাকুতনী: ১/২৩৩; সুনান বাইহাকী: ১/৪১৯; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ: ৪০৭; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ৩৭৯; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ১৭৭৯। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ একাধিক সমার্থক হাদীস থাকার কারণে হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ৫১৮)

সহীহ ইবনু হিব্বান (1680)