1673 - أَخْبَرَنَا الْفَضْلُ بْنُ الْحُبَابِ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُسَدَّدُ بْنُ مُسَرْهَدٍ، عَنْ يَحْيَى الْقَطَّانِ، عَنِ ابْنِ أَبِي ذِئْبٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنِ السَّائِبِ بْنِ يَزِيدَ، قَالَ: «كَانَ الْأَذَانُ عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَأَبِي بَكْرٍ، وَعُمَرَ مَرَّتَيْنِ مَرَّتَيْنِ، فَلَمَّا كَانَ عُثْمَانُ كَثُرَ النَّاسُ فَأَمَرْنَا مُنَادِيًا يُنَادِي عَلَى الزَّوْرَاءِ». [4: 50]
رقم طبعة با وزير = (1671)تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (998): خ. تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط البخاري، رجاله رجال الشيخين غير مسدد، فإنه من رجال البخاري.
رقم طبعة با وزير = (1671)تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (998): خ. تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط البخاري، رجاله رجال الشيخين غير مسدد، فإنه من رجال البخاري.
সায়িব বিন ইয়াযিদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, আবূ বকর, উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমদের জামানায় আযান দুইবার (এক আযান ও ইকামত) ছিল। অতঃপর উসমান রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর জামানায় যখন লোকজনের সংখ্যা বেড়ে যায়, তখন তিনি যাওরা নামক জায়গায় মুয়ায্যিনকে আরেকটি আযান দেওয়ার আদেশ করেন।”[1]
[1] মুসনাদ আহমাদ: ৩/৪৫০; সহীহ আল বুখারী: ৯১২; তিরমিযী: ৫১৬; ইবনুল জারূদ: ২৯০; তাবারানী: ৬৬৪৭; সুনান বাইহাকী: ৩/১৯২; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ: ১০৭১; মুসনাদ ইমাম শাফে‘ঈ: ১/১৬০; নাসাঈ: ৩/১০০; আবূ দাঊদ: ১০৮৭; মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ১/২২২; ইবনু মাজাহ: ১১৩৫; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ১৮৩৭। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ বুখারীর শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে হাসান বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ৯৯৮)
[1] মুসনাদ আহমাদ: ৩/৪৫০; সহীহ আল বুখারী: ৯১২; তিরমিযী: ৫১৬; ইবনুল জারূদ: ২৯০; তাবারানী: ৬৬৪৭; সুনান বাইহাকী: ৩/১৯২; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ: ১০৭১; মুসনাদ ইমাম শাফে‘ঈ: ১/১৬০; নাসাঈ: ৩/১০০; আবূ দাঊদ: ১০৮৭; মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ১/২২২; ইবনু মাজাহ: ১১৩৫; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ১৮৩৭। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ বুখারীর শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে হাসান বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ৯৯৮)
সহীহ ইবনু হিব্বান (1673)