1595 - أَخْبَرَنَا عُمَرُ بْنُ سَعِيدِ بْنِ سِنَانٍ، أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ أَبِي بَكْرٍ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ أَبِي الطُّفَيْلِ، أَنَّ مُعَاذَ بْنَ جَبَلِ أَخْبَرَهُ أَنَّهُمْ خَرَجُوا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَامَ تَبُوكَ، فَكَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَجْمَعُ بَيْنَ الظُّهْرِ وَالْعَصْرِ، وَالْمَغْرِبِ وَالْعِشَاءِ، قَالَ: فَأَخَّرَ الصَّلَاةَ يَوْمًا، ثُمَّ خَرَجَ فَصَلَّى الظُّهْرَ وَالْعَصْرَ جَمِيعًا، ثُمَّ دَخَلَ، ثُمَّ خَرَجَ، فَصَلَّى الْمَغْرِبَ وَالْعِشَاءَ جَمِيعًا، ثُمَّ قَالَ: «إِنَّكُمْ سَتَأْتُونَ غَدًا إِنْ شَاءَ اللَّهُ عَيْنَ تَبُوكَ، وَإِنَّكُمْ لَنْ تَأْتُوهَا حَتَّى يَضْحَى النَّهَارُ، فَمَنْ جَاءَهَا فَلَا يَمَسَّ مِنْ مَائِهَا شَيْئًا حَتَّى آتِيَ»، قَالَ: فَجِئْنَاهَا وَقَدْ سَبَقَ إِلَيْهَا رَجُلَانِ، وَالْعَيْنُ مِثْلُ الشِّرَاكِ تَبِضُّ بِشَيْءٍ مِنْ [ص:470] مَاءٍ، فَسَأَلَهُمَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «هَلْ مَسَسْتُمَا مِنْ مَائِهَا؟ » قَالَا: نَعَمْ، فَسَبَّهُمَا، وَقَالَ لَهُمَا مَا شَاءَ اللَّهُ أَنْ يَقُولَ، ثُمَّ غَرَفُوا مِنَ الْعَيْنِ بِأَيْدِيهِمْ قَلِيلًا قَلِيلًا، حَتَّى اجْتَمَعَ فِي شَيْءٍ ثُمَّ غَسَلَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِيهِ وَجْهَهُ وَيَدَيْهِ، ثُمَّ أَعَادَهُ فِيهَا، فَجَرَتِ الْعَيْنُ بِمَاءٍ كَثِيرٍ، فَاسْتَقَى النَّاسُ، ثُمَّ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «يُوشِكُ بِكَ يَا مُعَاذُ إِنْ طَالَتْ بِكَ حَيَاةٌ أَنْ تَرَى مَا هَاهُنَا قَدْ مُلِئَ جِنَانًا». [3: 25]
رقم طبعة با وزير = (1593)تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (1089)، «الصحيحة» (1210): م. تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط مسلم، رجاله رجال الشيخين غير أبي الزبير، فمن رجال مسلم
رقم طبعة با وزير = (1593)تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (1089)، «الصحيحة» (1210): م. تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط مسلم، رجاله رجال الشيخين غير أبي الزبير، فمن رجال مسلم
মু‘আয বিন জাবাল রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন যে, তারা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে তাবূক যুদ্ধে বের হয়েছিলেন, এসময় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যোহর, আসর, মাগরিব ও ইশার সালাত এক সাথে আদায় করতেন।` রাবী বলেন, “একদিন তিনি সালাত আদায়ে বিলম্ব করেন, তারপর তিনি (তাবূ থেকে) বের হয়ে আসেন এবং যোহর ও আসরের সালাত এক সাথে আদায় করেন। তারপর তিনি আবার (তাবূতে) প্রবেশ করেন তারপর আবার (তাবূ থেকে) বের হয়ে আসেন এবং মাগরিব ও ইশার সালাত এক সাথে আদায় করেন। অতঃপর তিনি বলেন, “আল্লাহ চাহে তো অবশ্যই তোমরা তাবূকের ঝর্ণার কাছে পৌঁছে যাবে, তোমরা সেখানে সূর্যতাপ প্রবল হওয়ার পরেই পৌঁছবে। কাজেই যে ব্যক্তি সেখানে যাবে, সেখানে আমি না পৌঁছা পর্যন্ত সে যেন তার পানি স্পর্শ না করে।` রাবী বলেন, `অতঃপর আমরা সেখানে পৌঁছে যাই এমন অবস্থায় যে, আমাদের আগেই দুই ব্যক্তি সেখানে পৌঁছে গিয়েছে। ঝর্ণাটি জুতার ফিতার ন্যায় ছিল, যা কিছুটা পানিসহ প্রবাহিত হচ্ছিল। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ঐ দুই ব্যক্তিকে জিজ্ঞেস করেন, “তোমরা কি এই ঝর্ণার পানি স্পর্শ করেছো?” তারা জবাবে বলেন, “জ্বী, হ্যা।” তখন তাদের কিছুটা বকা-ঝকা করেন এবং আল্লাহর ইচ্ছায় তাদেরকে আরো কিছু কথা বলেন। তারপর তারা ঝর্ণা থেকে হাতের অঞ্জুলি ভরে পানি তুলে কোন কিছুতে একত্রিত করেন, অতঃপর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সেই পানিতে তাঁর মুখ মন্ডল ও দুই হাত ধৌত করে সেই পানি আবার ঝর্ণায় রাখেন, অতঃপর ঝর্ণা থেকে প্রচুর পরিমাণ পানি প্রবাহিত হতে শুরু করে। তারপর লোকজন পানি পান করেন। অতঃপর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, “হে মু'আয, যদি তোমার হায়াত দীর্ঘ হয়, তবে তুমি অচিরেই এই জায়গায় দেখতে পাবে বাগানে পরিপূর্ণ হয়ে গেছে!”
[1] বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ: ১০৪১; মুয়াত্তা ইমাম মালিক: ১/১৪৩; মুসনাদ ইমাম শাফে‘ঈ: ১/১১৭; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৪৩৯৯; মুসনাদ আহমাদ: ৫/২৩৮; সহীহ মুসলিম: ৭০৬; আবূ দাঊদ: ১২০৬; নাসাঈ: ১/২৮৫; দারেমী: ১/৩৫৬; তাহাবী, শারহু মা‘আনিল আসার: ১/১৬০; তাবারানী, আল কাবীর: ২০/১০২; সুনান বাইহাকী: ৩/১৬২; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ৯৬৮। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ১০৮৯)
[1] বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ: ১০৪১; মুয়াত্তা ইমাম মালিক: ১/১৪৩; মুসনাদ ইমাম শাফে‘ঈ: ১/১১৭; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৪৩৯৯; মুসনাদ আহমাদ: ৫/২৩৮; সহীহ মুসলিম: ৭০৬; আবূ দাঊদ: ১২০৬; নাসাঈ: ১/২৮৫; দারেমী: ১/৩৫৬; তাহাবী, শারহু মা‘আনিল আসার: ১/১৬০; তাবারানী, আল কাবীর: ২০/১০২; সুনান বাইহাকী: ৩/১৬২; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ৯৬৮। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ১০৮৯)
সহীহ ইবনু হিব্বান (1595)