1593 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، مَوْلَى ثَقِيفٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي حَبِيبٍ، عَنْ أَبِي الطُّفَيْلِ، عَنْ مُعَاذِ بْنِ جَبَلٍ: «أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ فِي غَزْوَةِ تَبُوكَ، فَكَانَ إِذَا ارْتَحَلَ قَبْلَ زَيْغِ الشَّمْسِ أَخَّرَ الظُّهْرَ حَتَّى يَجْمَعَهَا إِلَى الْعَصْرِ، فَيُصَلِّيَهُمَا جَمِيعًا، وَإِذَا ارْتَحَلَ بَعْدَ زَيْغِ الشَّمْسِ صَلَّى الظُّهْرَ وَالْعَصْرَ جَمِيعًا، ثُمَّ سَارَ، وَكَانَ إِذَا ارْتَحَلَ قَبْلَ الْمَغْرِبِ أَخَّرَ الْمَغْرِبَ حَتَّى يُصَلِّيَهَا مَعَ الْعِشَاءِ، وَإِذَا ارْتَحَلَ بَعْدَ الْمَغْرِبِ عَجَّلَ الْعِشَاءَ فَصَلَّاهَا مَعَ الْمَغْرِبِ». [4: 47]
رقم طبعة با وزير = (1591) [ص:466] سَمِعْتُ مُحَمَّدَ بْنَ إِسْحَاقَ الثَّقَفِيَّ يَقُولُ: سَمِعْتُ قُتَيْبَةَ بْنَ سَعِيدٍ يَقُولُ: «عَلَيْهِ عَلَامَةُ سَبْعَةٍ مِنَ الْحُفَّاظِ، كَتَبُوا عَنِّي هَذَا الْحَدِيثَ: أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ، وَيَحْيَى بْنُ مَعِينٍ، وَالْحُمَيْدِيُّ، وَأَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَأَبُو خَيْثَمَةَ حَتَّى عَدَّ سَبْعَةً»تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «الإرواء» (578)، «صحيح أبي داود» (1106). تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط الشيخين، رجاله ثقات، رجال الستة، وقد أعله الحاكم بما لا يقدح في صحته.
মু‘আয বিন জাবাল রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাবূক যুদ্ধে ছিলেন, তিনি সূর্য পশ্চিম আকাশে ঢলে যাওয়ার আগে যাত্রা শুরু করলে তখন তিনি যোহরকে আসরের সময় পর্যন্ত পিছিয়ে দিতেন তারপর দুই সালাত এক সাথে আদায় করতেন। আর যদি সূর্য পশ্চিম আকাশে ঢলে যাওয়ার পর যাত্রা শুরু করতেন, তখন তিনি যোহর ও আসরকে এক সাথে সালাত আদায় করতেন তারপর তিনি রওয়ানা হতেন।” [1] তিনি সূর্য অস্ত যাওয়ার আগে যাত্রা শুরু করলে, তখন মাগরিবকে ইশার সময় পর্যন্ত পিছিয়ে দিতেন তারপর দুই সালাত এক সাথে আদায় করতেন। আর যদি যাত্রা শুরু করার আগে সূর্য অস্ত যেতো, তখন তিনি ইশার সালাতকে এগিয়ে নিয়ে মাগরিবের সাথে আদায় করতেন।”[2] ইবনু হিব্বান রহিমাহুল্লাহ বলেন, “আমি মুহাম্মাদ বিন ইসহাক সাকাফীকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন, আমি কুতাইবা বিন সা‘ঈদ বলতে শুনেছি, তিনি বলেন যে, তার উপর সাত হুফ্ফাযের ছাপ রয়েছে, তারা আমার থেকে এই হাদীস লিপিবদ্ধ করেছেন। তাঁরা হলেন, আহমাদ বিন হাম্বাল, ইয়াহইয়া বিন মা‘ঈন, হুমাইদী, আবূ বকর ইবনু আবী শায়বাহ, আবূ খাইসামাহ... এভাবে তিনি সাত জনের গুণে গুণে বর্ণনা করেন। ”







[1] সহীহ মুসলিম: ৭০৪; আবূ দাঊদ: ১২১৯; নাসাঈ: ১/২৮৭; আবূ আওয়ানা: ২/৩৫১; শারহু মা‘আনিল আসার: ১/১৬৪; সুনান বাইহাকী: ৩/১৬১; বাগাবী: ১০৪০; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ৯৬৯; মুসান্নাফ ইবনু শায়বাহ: ২/৪৫৬; বাযযার: ৬৬৮। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে ‍সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ১১০৫)







[2] আবূ দাঊদ: ১২১৮; আবূ আওয়ানা: ২/৩৫২; সুনান বাইহাকী: ৩/১৬১; সহীহ আল বুখারী: ১১১২; মুসনাদ আহমাদ: ৩/২৪৭; সহীহ মুসলিম: ৭০৪; সুনান বাইহাকী: ৩/১৬১। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ১১০৬)

সহীহ ইবনু হিব্বান (1593)