1576 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سَلْمٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا حَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى، قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي عَمْرُو بْنُ الْحَارِثِ، عَنْ بُكَيْرِ بْنِ الْأَشَجِّ، عَنْ كُرَيْبٍ مَوْلَى ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّ ابْنَ عَبَّاسٍ، وَعَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ الْأَزْهَرِ، وَالْمِسْوَرَ بْنَ مَخْرَمَةَ، [ص:444] أَرْسَلُوهُ إِلَى عَائِشَةَ، فَقَالُوا: اقْرَأْ عَلَيْهَا السَّلَامَ مِنَّا جَمِيعًا وَسَلْهَا عَنِ الرَّكْعَتَيْنِ بَعْدَ الْعَصْرِ، فَإِنَّا أُخْبِرْنَا أَنَّكِ تُصَلِّيهَا وَقَدْ بَلَغَنَا أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَهَى عَنْهَا، قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ وَكُنْتُ أَضْرِبُ مَعَ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ النَّاسَ عَلَيْهَا، قَالَ: كُرَيْبٌ فَدَخَلْتُ عَلَيْهَا وَبَلَّغْتُهَا مَا أَرْسَلُونِي بِهِ إِلَى عَائِشَةَ [فَقَالَتْ: سَلْ أُمَّ سَلَمَةَ فَخَرَجْتُ إِلَيْهِمْ، فَأَخْبَرْتُهُمْ بِقَوْلِهَا، فَرَدُّونِي إِلَى أُمِّ سَلَمَةَ بِمِثْلِ مَا أَرْسَلُونِي بِهِ إِلَى عَائِشَةَ] فَقَالَتْ أُمُّ سَلَمَةَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَنْهَى عَنْهَا، ثُمَّ رَأَيْتُهُ يُصَلِّيهَا، أَمَّا حِينَ صَلَّاهَا فَإِنَّهُ حِينَ صَلَّى الْعَصْرَ دَخَلَ وَعِنْدِي نِسْوَةٌ مِنْ بَنِي حَرَامٍ مِنَ الْأَنْصَارِ، فَصَلَّاهَا، فَأَرْسَلْتُ إِلَيْهِ الْجَارِيَةَ، فَقُلْتُ: قَوْمِي بِجَنْبِهِ، فَقُولِي لَهُ: تَقُولُ أُمُّ سَلَمَةَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، إِنِّي سَمِعْتُكَ تَنْهَى عَنْ هَاتَيْنِ الرَّكْعَتَيْنِ، فَأَرَاكَ تُصَلِّيهِمَا، فَإِنْ أَشَارَ بِيَدِهِ فَاسْتَأْخِرِي عَنْهُ، فَقَالَتِ الْجَارِيَةُ: فَأَشَارَ بِيَدِهِ، فَاسْتَأْخَرْتُ عَنْهُ، ثُمَّ قَالَ: «يَا بِنْتَ أَبِي أُمَيَّةَ، سَأَلْتِ عَنِ الرَّكْعَتَيْنِ بَعْدَ الْعَصْرِ، أَتَانِي نَاسٌ مِنْ عَبْدِ الْقَيْسِ بِالْإِسْلَامِ مِنْ قَوْمِهِمْ، فَشَغَلُونِي عَنِ الرَّكْعَتَيْنِ اللَّتَيْنِ [ص:445] بَعْدَ الظُّهْرِ، وَهُمَا هَاتَانِ». [2: 8]
رقم طبعة با وزير = (1574)تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «الإرواء» (2/ 187)، «صحيح أبي داود» (1155). تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط مسلم.
আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমার আজাদকৃত দাস আবূ কুরাইব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস, আব্দুর রহমান বিন আযহার এবং মিসওয়ার বিন মাখরামাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুম তাকে আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহার কাছে পাঠায় এই বলে, “তুমি তাঁকে আমাদের সবার পক্ষ থেকে সালাত জানাবে এবং তাঁকে আসরের পর দুই রাকা‘আত সালাত আদায় করা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করবে। কেননা আমাদেরকে জানানো হয়েছে যে, আপনি এই দুই রাকা‘আত সালাত আদায় করেন। অপরদিকে আমাদের কাছে এই মর্মে হাদীস পৌঁছেছে যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এই দুই রাকা‘আত সালাত আদায় করতে নিষেধ করেছেন।” আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা বলেন, “আমি উমার বিন খাত্তাব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর সাথে লোকজনকে এই দুই রাকা‘আত সালাত আদায় করার দরুন প্রহার করতাম।” কুরাইব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “অতঃপর আমি আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহার কাছে যাই এবং তাঁরা আমাকে যে বার্তা দিয়ে পাঠান, তা আমি তাঁর কাছে পৌঁছে দেই। তখন আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা বলেন, “তুমি উম্মু সালামা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহাকে জিজ্ঞেস করো।” তারপর আমি তাঁদের কাছে আসি এবং আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহার কথা তাঁদের অবহিত করি। তখন তাঁরা আমাকে উম্মু সালামাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহার কাছে পাঠান, যেভাবে তাঁরা আমাকে আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহার কাছে পাঠিয়েছিলেন।” অতঃপর উম্মু সালামা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা বলেন, “আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে এই দুই রাকা‘আত সালাত আদায় করতে নিষেধ করতে শুনেছি। তারপর একদিন আমি তাঁকে এই দুই রাকা‘আত সালাত আদায় করতে দেখি। তিনি যখন এই দুই রাকা‘আত সালাত আদায় করেন, তখন তিনি আসরের সালাত আদায় করার পর আমার কাছে এসেছিলেন। আর এই সময় আমার কাছে বানূ হারাম গোত্রের কিছু আনসারী মহিলা ছিলেন। তিনি এই দুই রাকা‘আত সালাত আদায় করেন। তখন আমি আমাদের দাসীকে তাঁর কাছে পাঠাই এই বলে, “তুমি গিয়ে তাঁর পাশে দাঁড়াবে। অতঃপর তাঁকে বলবে, “উম্মু সালামাহ বলেছেন, “হে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, নিশ্চয়ই আমি আপনাকে এই দুই রাকা‘আত সালাত আদায় করতে নিষেধ করতে শুনেছি। অতঃপর আমি আপনাকে এই দুই রাকা‘আত সালাত আদায় করতে দেখেছি।” অতঃপর যদি তিনি তাঁর হাত দিয়ে ইশারা করেন, তাহলে তুমি পিছু সরে আসবে।” তারপর সেই দাসী তাঁকে তা বললে তিনি তাকে হাত দিয়ে ইশারা করেন। ফলে তিনি পিছু সরে আসেন। তারপর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, “হে বিনতু আবী ‍উমাইয়্যাহ, তুমি আমাকে আসরের পর দুই রাকা‘আত সালাত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছিলে। আমার কাছে বানু কাইস গোত্রের কিছু লোক ইসলাম গ্রহণ করে এসেছিলেন। অতঃপর তারা আমাকে যোহরের পর দুই রাকা‘আত আদায় করা থেকে বিরত রাখে। সেই দুই রাকা‘আতই হলো এই দুই রাকা‘আত।”[1]







[1] সহীহ মুসলিম: ৮৩৪; সুনান বাইহাকী: ২/৪৫৭; সহীহ আল বুখারী: ১২৩৩; আবূ দাঊদ: ১২৭৩; দারেমী: ১/৩৩৪; তাহাবী, শারহু মা‘আনিল আসার: ১/৩০২; মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ২/৩৫১-৩৫২; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৩৯৭১; মুসনাদ ইমাম শাফে‘ঈ: ১/৫২-৫৩; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ: ৭৮১। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ১১৫৫)

সহীহ ইবনু হিব্বান (1576)