1451 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ قُتَيْبَةَ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ مَوْهَبٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي بَكْرِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أُمَيَّةَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ خَالِدٍ، أَنَّهُ قَالَ لِعَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ: إِنَّا نَجْدُ صَلَاةَ الْحَضَرِ، وَصَلَاةَ الْخَوْفِ فِي الْقُرْآنِ، وَلَا نَجْدُ صَلَاةَ السَّفَرِ فِي الْقُرْآنِ؟ فَقَالَ لَهُ عَبْدُ اللَّهِ: «يَا ابْنَ أَخِي، إِنَّ اللَّهَ بَعَثَ إِلَيْنَا مُحَمَّدًا صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَلَا نَعْلَمُ شَيْئًا، فَإِنَّمَا نَفْعَلُ كَمَا رَأَيْنَاهُ يَفْعَلُ» [1: 21]
رقم طبعة با وزير = (1448)تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «التعليق على ابن ماجه» (1/ 330)، وانظر (2724). تنبيه!! رقم (2724) = (2735) من «طبعة المؤسسة». - مدخل بيانات الشاملة -. تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح.
উমাইয়্যাহ বিন আব্দুল্লাহ বিন খালিদ রহিমাহুল্লাহ বর্ণনা করেন যে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন ‍উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে বলেন, “আমরা কুরআনে সালাতুল খওফ বা ভীতিকালিন সময়ের সালাত ও মুকীম অবস্থাকালিন সময়ের সালাত সম্পর্কে বর্ণনা দেখতে পাই কিন্তু কুরআনে সফরকালিন সময়ের সালাত সম্পর্কে বর্ণনা দেখতে পাই না!” জবাবে আব্দুল্লাহ বিন ‍উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “ভাতিজা, নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে আমাদের কাছে প্রেরণ করেছেন এমন অবস্থায় যে, আমরা কোন কিছুই জানতাম না। কাজেই আমরা সেভাবে করবো, যেভাবে আমরা তাঁকে করতে দেখবো।”[1] আবূ হাতিম ইবনু হিব্বান রহিমাহুল্লাহ বলেন, “মহান আল্লাহ স্বীয় কুরআনে ভীতিকালিন সময়ে সালাত কসর করার অনুমতি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, “যখন তোমরা জমিনে ভ্রমণ করবে, তখন তোমাদের জন্য কোন দোষ নেই সালাত করা, যদি তোমরা ভয় কর যে, কাফেরা তোমাদেরকে ফিতনায় ফেলে দিবে।” (সুরা নিসা: ১০১) মহান আল্লাহ সফরে কসর করার জন্য যে শর্ত বর্ণনা করেছেন, সেই শর্ত ছাড়াই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সফরে কসর করা বৈধ করেছেন। কাজেই উভয়টি বৈধ; একটি আল্লাহর পক্ষ থেকে স্বীয় কিতাবে বর্ণিত হয়েছে অপরটি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের এর জবানিতে বর্ণিত হয়েছে।”







[1] মুসনাদ আহমাদ: ২/৯৪; নাসাঈ: ৩/১১৭; ইবনু মাজাহ: ১০৬৬; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ৯৪৬; সুনান বাইহাকী: ৩/১৩৬; মুয়াত্তা ইমাম মালিক: ১/১৪৫-১৪৬। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (আত তা‘লীক আলা ইবনু মাজাহ: ১/৩৩০)

সহীহ ইবনু হিব্বান (1451)