1383 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سَلْمٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا حَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى، قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي عَمْرُو بْنُ الْحَارِثِ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي هِلَالٍ، عَنْ نَافِعِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّهُ قِيلَ لِعُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ: حَدِّثْنَا مِنْ شَأْنِ الْعُسْرَةِ، قَالَ: خَرَجْنَا إِلَى تَبُوكَ فِي قَيْظٍ شَدِيدٍ، فَنَزَلْنَا مَنْزِلًا، أَصَابَنَا فِيهِ عَطَشٌ، حَتَّى ظَنَنَّا أَنَّ رِقَابَنَا سَتَنْقَطِعُ، حَتَّى إِنْ كَانَ الرَّجُلُ لَيَذْهَبُ يَلْتَمِسُ الْمَاءَ، فَلَا يَرْجِعُ حَتَّى نَظُنَّ أَنَّ رَقَبَتَهُ سَتَنْقَطِعُ، حَتَّى إِنَّ الرَّجُلَ لَيَنْحَرُ بَعِيرَهُ فَيَعْصِرُ فَرْثَهُ فَيَشْرَبُهُ وَيَجْعَلُ مَا بَقِيَ عَلَى كَبِدِهِ، فَقَالَ أَبُو بَكْرٍ الصِّدِّيقُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، قَدْ عَوَّدَكَ اللَّهُ فِي الدُّعَاءِ خَيْرًا، فَادْعُ لَنَا، فَقَالَ: «أَتُحِبُّ ذَلِكَ؟ » قَالَ: نَعَمْ، قَالَ: فَرَفَعَ يَدَيْهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَلَمْ يُرْجِعْهُمَا حَتَّى أَظَلَّتْ سَحَابَةٌ، فَسَكَبَتْ، فَمَلَأُوا مَا مَعَهُمْ، ثُمَّ ذَهَبْنَا نَنْظُرُ، فَلَمْ نَجِدْهَا جَاوَزَتِ الْعَسْكَرَ. [2: 35]
رقم طبعة با وزير = (1380) [ص:224] قَالَ أَبُو حَاتِمٍ: «فِي وَضْعِ الْقَوْمِ عَلَى أَكْبَادِهِمْ مَا عَصَرُوا مِنْ فَرْثِ الْإِبِلِ وَتَرْكِ أَمْرِ الْمُصْطَفَى صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِيَّاهُمْ بَعْدَ ذَلِكَ بِغَسْلِ مَا أَصَابَ ذَلِكَ مِنْ أَبْدَانِهِمْ دَلِيلٌ عَلَى أَنَّ أَرْوَاثَ مَا يُؤْكَلُ لُحُومُهَا طَاهِرَةٌ». [2: 35]تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: ضعيف - «التعليق على ابن خزيمة» (1/ 22 / 101)، «فقه السيرة» (407 / التحقيق الثاني)، «التعليق على كشف الأستار» (2/ 354 / 1841). تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط مسلم، رجاله رجال الشيخين خلا حرملة بن يحيى، فإنه من رجال مسلم فقط.
আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে বলা হয়, “আপনি আমাদেরকে তাবূক যুদ্ধ সম্পর্কে কিছু বলুন।” জবাবে তিনি বলেন, “আমরা প্রচন্ড গরমের সময়ে তাবূকের দিকে রওয়ানা হই অতঃপর আমরা একটা জায়গায় যাত্রাবিরতি দেই, এখানে আমাদের প্রচন্ড তৃষ্ণা পায়, এমনকি আমাদের মনে হলো যেন তৃষ্ণায় যেন আমাদের গর্দান আলাদা হয়ে যাবে, এমনকি আমাদের কেউ পানির খোঁজে না আসলে আমরা মনে করতাম যে, তার গর্দান হয়তো বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে! এমনকি কোন ব্যক্তি তার উট জবাই করে ভেতর থেকে গোবর বের করে তা নিংড়িয়ে পানি পান করতো আর গোবরের বাকী অংশ তার কলিজার উপর রাখতো (যাতে তার কলিজা ঠান্ডা হয়)! তখন আবূ বকর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “হে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মহান আল্লাহ আপনার দু‘আর মাঝে কল্যাণ রেখেছেন, কাজেই আপনি আমাদের জন্য দু‘আ করুন।” রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, “আপনি কি এটা চান?” জবাবে তিনি বলেন, “জ্বী, হ্যাঁ।” অতঃপর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর দুই হাত উত্তোলন করেন। তারপর তিনি ফিরিয়ে আনেননি, এর মাঝেই আকাশে মেঘ ধারণ করে অতঃপর বৃষ্টি বর্ষণ করে। ফলে লোকজনের কাছে যা কিছু ছিল, তা তারা পরিপূর্ণ করে নেন। তারপর আমরা রওনা করি। আমরা লক্ষ্য করি যে, বৃষ্টি আমাদের সেনাদলের বাইরে কোথাও হয়নি!”[1] আবূ হাতিম ইবনু হিব্বান রহিমাহুল্লাহ বলেন, “সাহাবীগণ উটের পেটের গোবর নিংড়িয়ে তা তাদের কলিজার উপর রাখা, তারপর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কর্তৃক তাদেরকে গোবর লাগার জায়গা ধৈত করার নির্দেশ না দেওয়া- এর মধ্যে এই মর্মে দলীল রয়েছে যে, যেসব প্রাণীর গোশত খাওয়া বৈধ, সেসব প্রাণীর গোবর পবিত্র।”







[1] মুসনাদ বাযযার: ১৮৪১; হাকিম: ১/১৫৯; হাইসামী, মাজমা‘উয যাওয়াইদ: ৬/১৯৪-১৯৫। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রাহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে য‘ঈফ বলেছেন। (ফিকহুস সীরাহ: ৪০৭।)

সহীহ ইবনু হিব্বান (1383)