1281 - أَخْبَرَنَا أَبُو يَعْلَى، قَالَ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي بَكْرٍ الْمُقَدَّمِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ سِمَاكِ بْنِ حَرْبٍ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: مَاتَتْ شَاةٌ لِسَوْدَةَ بِنْتِ زَمْعَةَ، فَقَالَتْ: يَا رَسُولَ اللَّهِ مَاتَتْ فُلَانَةٌ - يَعْنِي الشَّاةَ - قَالَ: «فَهَلَّا أَخَذْتُمْ مَسْكَهَا؟ » قَالَتْ: فَنَأْخُذُ مَسْكَ شَاةٍ مَاتَتْ فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «إِنَّمَا قَالَ: {قُلْ لَا أَجِدُ فِيمَا أُوحِيَ إِلَيَّ مُحَرَّمًا} - إِلَى آخِرِ الْآيَةِ - لَا بَأْسَ أَنْ تَدْبُغُوهُ فَتَنْتَفِعُوا بِهِ» قَالَ: «فَأَرْسَلْنَا إِلَيْهَا فَسَلَخَتْ مَسْكَهَا، فَاتَّخَذَتْ مِنْهَا قِرْبَةً حَتَّى تَحَرَّقَتْ». [4: 46]
رقم طبعة با وزير = (1278)تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - انظر ما قبله. تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده كسابقه.
رقم طبعة با وزير = (1278)تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - انظر ما قبله. تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده كسابقه.
আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, সাওদা বিনতু যাম‘আ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহার একটি মেষ মারা যায়। অতঃপর তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ওমুক –অর্থাৎ মেষটি- মারা গেছে।” রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, “তোমরা তার চামড়া গ্রহণ করনি কেন?” জবাবে তিনি বলেন, “আমরা মৃত মেষের চামড়া গ্রহণ করবো?” অতঃপর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, “নিশ্চয়ই আল্লাহ বলেছেন: {قُلْ لَا أَجِدُ فِيمَا أُوحِيَ إِلَيَّ مُحَرَّمًا عَلَى طَاعِمٍ يَطْعَمُهُ إِلَّا أَنْ يكون ميتة .... } (হে নাবী) আপনি বলুন, আমার প্রতি অহী করা হয়েছে, তাতে আমি ভক্ষনকারীর জন্য ভক্ষন করা হারাম পাচ্ছি না তবে মৃত প্রাণী...।) (সূরা আনআন: ১৪৫।) কাজেই এতে কোন দোষ নেই যে তোমরা তা দাবাগত তথা পাকা করে তারপর তার দ্বারা উপকার লাভ করবে।” আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “অতঃপর আমরা সেখানে লোক পাঠাই। তারপর তার চামড়া উঠানো হয় এবং সেখান থেকে একটি থলে বানানো হয়। তারপর সেটি পুড়ে যাওয়া অবধি তাঁর কাছে ছিল।”[1]
[1] মুসনাদ আবী ইয়ালা: ২৩৩৪; তাহাবী, শারহু মা‘আনিল আসার: ১/৪৭১; মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ৮/৩৭৯; সহীহ আল বুখারী: ৬৬৮৬; নাসাঈ; ৭/১৭৩; সুনান বাইহাকী: ১/১৮; মুসনাদ আহমাদ: ১/৩২৭-৩২৮; তাবারানী: ১১৭৬৫। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রাহিমাহুল্লাহ হাদীসটির ব্যাপারে স্পষ্ট কোন মন্তব্য করেননি। শায়খ নাসিরুদ্দিন রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন (গায়াতুল মারাম: ২৯।)
[1] মুসনাদ আবী ইয়ালা: ২৩৩৪; তাহাবী, শারহু মা‘আনিল আসার: ১/৪৭১; মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ৮/৩৭৯; সহীহ আল বুখারী: ৬৬৮৬; নাসাঈ; ৭/১৭৩; সুনান বাইহাকী: ১/১৮; মুসনাদ আহমাদ: ১/৩২৭-৩২৮; তাবারানী: ১১৭৬৫। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রাহিমাহুল্লাহ হাদীসটির ব্যাপারে স্পষ্ট কোন মন্তব্য করেননি। শায়খ নাসিরুদ্দিন রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন (গায়াতুল মারাম: ২৯।)
সহীহ ইবনু হিব্বান (1281)