1230 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ قُتَيْبَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا حَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى، قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، قَالَ: أَخْبَرَنَا يُونُسُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ، بَيْنَا هُوَ يَخْطُبُ النَّاسَ يَوْمَ الْجُمُعَةِ إِذْ دَخَلَ عَلَيْهِ رَجُلٌ مِنْ أَصْحَابِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَنَادَاهُ عُمَرُ: أَيُّ سَاعَةٍ هَذِهِ؟ قَالَ: إِنِّي شُغِلْتُ الْيَوْمَ، فَلَمْ أَنْقَلِبْ إِلَى أَهْلِي حَتَّى سَمِعْتُ النِّدَاءَ، فَلَمْ أَزِدْ عَلَى أَنْ تَوَضَّأْتُ، قَالَ عُمَرُ: وَالْوُضُوءُ أَيْضًا، وَقَدْ عَلِمْتَ: «أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ [ص:31] عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، كَانَ يَأْمُرُ بِالْغُسْلِ». [1: 35]
رقم طبعة با وزير = (1227) [ص:32] قَالَ أَبُو حَاتِمٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ: «فِي هَذَا الْخَبَرِ دَلِيلٌ صَحِيحٌ عَلَى نَفْيِ إِيجَابِ الْغُسْلِ لِلْجُمُعَةِ عَلَى مَنْ يَشْهَدُهَا، لِأَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ، كَانَ يَخْطُبُ، إِذْ دَخَلَ الْمَسْجِدَ عُثْمَانُ بْنُ عَفَّانَ، فَأَخْبَرَهُ أَنَّهُ مَا زَادَ عَلَى أَنْ تَوَضَّأَ، ثُمَّ أَتَى الْمَسْجِدَ، فَلَمْ يَأْمُرْهُ عُمَرُ وَلَا أَحَدٌ مِنَ الصَّحَابَةِ بِالرُّجُوعِ وَالِاغْتِسَالِ لِلْجُمُعَةِ، ثُمَّ الْعَوْدِ إِلَيْهَا، فَفِي إِجْمَاعِهِمْ عَلَى مَا وَصَفْنَا أَبْيَنُ الْبَيَانِ بِأَنَّ الْأَمْرَ كَانَ مِنَ الْمُصْطَفَى، صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِالِاغْتِسَالِ لِلْجُمُعَةِ أَمْرُ نَدْبٍ لَا حَتْمٍ»تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (367): ق. تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط مسلم.
رقم طبعة با وزير = (1227) [ص:32] قَالَ أَبُو حَاتِمٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ: «فِي هَذَا الْخَبَرِ دَلِيلٌ صَحِيحٌ عَلَى نَفْيِ إِيجَابِ الْغُسْلِ لِلْجُمُعَةِ عَلَى مَنْ يَشْهَدُهَا، لِأَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ، كَانَ يَخْطُبُ، إِذْ دَخَلَ الْمَسْجِدَ عُثْمَانُ بْنُ عَفَّانَ، فَأَخْبَرَهُ أَنَّهُ مَا زَادَ عَلَى أَنْ تَوَضَّأَ، ثُمَّ أَتَى الْمَسْجِدَ، فَلَمْ يَأْمُرْهُ عُمَرُ وَلَا أَحَدٌ مِنَ الصَّحَابَةِ بِالرُّجُوعِ وَالِاغْتِسَالِ لِلْجُمُعَةِ، ثُمَّ الْعَوْدِ إِلَيْهَا، فَفِي إِجْمَاعِهِمْ عَلَى مَا وَصَفْنَا أَبْيَنُ الْبَيَانِ بِأَنَّ الْأَمْرَ كَانَ مِنَ الْمُصْطَفَى، صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِالِاغْتِسَالِ لِلْجُمُعَةِ أَمْرُ نَدْبٍ لَا حَتْمٍ»تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (367): ق. تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط مسلم.
আব্দুল্লাহ বিন উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “উমার বিন খাত্তাব একবার আমাদের মাঝে জুমু‘আর দিন ভাষণ দিচ্ছিলেন, এমন সময় একজন সাহাবী তাঁর কাছে প্রবেশ করলে উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু তাকে ডাক দিয়ে বললেন, “এটা কোন সময়?” জবাবে তিনি বললেন, “আজকে আমি খুব ব্যস্ততায় পড়েছিলাম, ফলে আযান না শ্রবণ না করা পর্যন্ত আমি বাড়ি ফিরতে পারি নাই। যার ফলে শুধুমাত্র ওযূ করা ছাড়া আর বেশি কিছু করতে পারি নাই।” উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “শুধু ওযূর উপরও ক্ষ্যান্ত থেকেছো, অথচ তুমি জানো যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম গোসল করার নির্দেশ দিতেন।”[1] আবূ হাতিম ইবনু হিব্বান রহিমাহুল্লাহ বলেন, “এই হাদীসে জুমু‘আয় যারা উপস্থিত হয়, তাদের জন্য গোসল করা ওয়াজিব না হওয়ার ব্যাপারে বিশুদ্ধ দলীল রয়েছে। কেননা উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু ভাষণ দিচ্ছিলেন, এমন সময় উসমান রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু প্রবেশ করেন এবং তাঁকে জানান যে, তিনি ওযূ করার চেয়ে আর বেশি কিছু না করে মসজিদে এসেছেন। উপরন্তু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু কিংবা অন্য কোন সাহাবী তাকে বাড়ি ফিরে গিয়ে গোসল করে আসার নির্দেশ দেননি। কাজেই সাহাবীদের এই সর্বসম্মতিতে এই ব্যাপারে সুস্পষ্ট দলীল রয়েছে যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর জুমু‘আর দিনে যে গোসল করার নির্দেশ দিয়েছেন, সেটা ওয়াজিব নির্দেশক নির্দেশ ছিলনা, বরং সেটি উত্তমতা নির্দেশক নির্দেশ ছিল।”
[1] সহীহ মুসলিম: ৮৪৫; সুনান বাইহাকী: ৩/১৮৯; মুয়াত্তা ইমাম মালিক: ১/১০১; মুসনাদ ইমাম শাফে‘ঈ: ১/১৫৭; তাহাবী, শারহু মা‘আনিল আসার: ১/১১৭; সহীহ বুখারী: ৮৭৮; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৫২৯২; তিরমিযী: ৪৯৪; আত তায়ালিসী: ১/১৪২; মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ২/৯৩; দারেমী: ১/৩৬১। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রাহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ৩৬৭।)
[1] সহীহ মুসলিম: ৮৪৫; সুনান বাইহাকী: ৩/১৮৯; মুয়াত্তা ইমাম মালিক: ১/১০১; মুসনাদ ইমাম শাফে‘ঈ: ১/১৫৭; তাহাবী, শারহু মা‘আনিল আসার: ১/১১৭; সহীহ বুখারী: ৮৭৮; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৫২৯২; তিরমিযী: ৪৯৪; আত তায়ালিসী: ১/১৪২; মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ২/৯৩; দারেমী: ১/৩৬১। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রাহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ৩৬৭।)
সহীহ ইবনু হিব্বান (1230)