1220 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ قُتَيْبَةَ اللَّخْمِيُّ، حَدَّثَنَا [ص:22] يَزِيدُ بْنُ مَوْهَبٍ، حَدَّثَنَا الْمُفَضَّلُ بْنُ فَضَالَةَ، عَنْ عَيَّاشِ بْنِ عَبَّاسٍ، عَنْ بُكَيْرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْأَشَجِّ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، عَنْ حَفْصَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: «عَلَى كُلِّ مُحْتَلِمٍ رَوَاحُ الْجُمُعَةِ، وَعَلَى مَنْ رَاحَ الْغُسْلُ». [1: 18]
رقم طبعة با وزير = (1217) قَالَ أَبُو حَاتِمٍ: «فِي هَذَا الْخَبَرِ إِتْيَانُ الْجُمُعَةِ فَرْضٌ عَلَى كُلِّ مُحْتَلِمٍ، وَالْعِلَّةُ فِيهِ أَنَّ الِاحْتِلَامَ بُلُوغٌ، فَمَتَى بَلَغَ الصَّبِيُّ وَأَدْرَكَ، بِأَنْ يَأْتِيَ عَلَيْهِ خَمْسَ عَشْرَةَ سَنَةً كَانَ بَالِغًا، وَإِنْ لَمْ يَكُنْ مُحْتَلِمًا، وَنَظِيرُ هَذَا قَوْلُ اللَّهِ جَلَّ وَعَلَا: {وَإِذَا بَلَغَ الْأَطْفَالُ مِنْكُمُ الْحُلُمَ، فَلْيَسْتَأْذِنُوا كَمَا اسْتَأْذَنَ الَّذِينَ مِنْ قَبْلِهِمْ} [النور: 59] فَأَمَرَ اللَّهُ جَلَّ [ص:23] وَعَلَا فِي هَذِهِ الْآيَةِ بِالِاسْتِئْذَانِ مَنْ بَلَغَ الْحُلُمَ، إِذِ الْحُلُمُ بُلُوغٌ، وَقَدْ يَبْلُغُ الطِّفْلُ دُونَ أَنْ يَحْتَلِمَ، وَيَكُونُ مُخَاطَبًا بِالِاسْتِئْذَانِ كَمَا يَكُونُ مُخَاطَبًا عِنْدَ الِاحْتِلَامِ بِهِ»تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (370). تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح، يزيد بن موهب ثقة، وباقي رجال الإسناد على شرط الصحيح.
হাফসা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “প্রত্যেক বালেগ ব্যক্তির ‍উপর জুমু‘আর সালাতে যাওয়া আবশ্যক আর যে ব্যক্তি জুমু‘আয় যাবে, তার জন্য আবশ্যক হলো গোসল করা।”[1] আবূ হাতিম ইবনু হিব্বান রহিমাহুল্লাহ বলেন, “এই হাদীসে এই দলীল রয়েছে যে, এমন ব্যক্তি, যার স্বপ্নদোষ হয়, তার উপর জুমু‘আয় আসা ফরয। কারণ স্বপ্নদোষ হলে ব্যক্তি বালেগ হয়ে যায়। কাজেই যখন কোন ব্যক্তি বালেগ হয়ে যাবে এবং পনেরো বছর বয়সে উপনীত হবে, তখন সে বালেগ হয়ে যাবে, যদিও তার স্বপ্নদোষ না হয়। অনুরুপভাবে আল্লাহর বাণী, “আর যখন সন্তানগণ বয়ঃসন্ধিকালে পৌঁছবে, তখন তারা যেন অনুমতি নেয়, যেভাবে তাদের বড়রা অনুমতি নেয়।” (সূরা নূর: ৫৯।) মহান আল্লাহ এই আয়াতে যারা স্বপ্নদোষ হওয়ার বয়সে উপনীত হয়, তাদেরকে অনুমতি নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। কেননা স্বপ্নদোষ হওয়ার মাধ্যমে ব্যক্তি বালেগ হয়ে যায়। কোন কোন সময় শিশু স্বপ্নদোষ হওয়া ছাড়াই বালেগ হয়ে যায় এবং অনুমতি নেওয়ার আদেশের আওতাভূক্ত হয়ে যায়, যেভাবে স্বপ্নদোষ হলে অনুমতি নেওয়ার আদেশের আওতাভূক্ত হয়ে থাকে।”







[1] আবূ দাঊদ: ৩৪২; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ৭২১; তাহাবী: ১/১১৬; নাসাঈ: ৩/৮৯; ইবনুল জারুদ, আল মুনতাকা: ২৮৭; তাবারানী আল কাবীর: ২৩/১৯৫; সুনান বাইহাকী: ৩/১৭২। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ৩৭০।)

সহীহ ইবনু হিব্বান (1220)