1123 - أَخْبَرَنَا أَبُو خَلِيفَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُلَازِمُ بْنُ عَمْرٍو، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ بَدْرٍ الْحَنَفِيُّ، عَنْ قَيْسِ بْنِ طَلْقٍ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: خَرَجْنَا سِتَّةً وَفْدًا إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، خَمْسَةٌ مِنْ بَنِي حَنِيفَةَ وَرَجُلٌ مِنْ بَنِي ضُبَيْعَةَ بْنِ رَبِيعَةَ، حَتَّى قَدِمْنَا عَلَى نَبِيِّ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَبَايَعْنَاهُ وَصَلَّيْنَا مَعَهُ، وَأَخْبَرْنَاهُ أَنَّ بِأَرْضِنَا بَيْعَةً لَنَا، وَاسْتَوْهَبْنَاهُ مِنْ فَضْلِ طُهُورِهِ، فَدَعَا بِمَاءٍ فَتَوَضَّأَ مِنْهُ [ص:406] وَتَمَضْمَضَ، وَصَبَّ لَنَا فِي إِدَاوَةٍ، ثُمَّ قَالَ: «اذْهَبُوا بِهَذَا الْمَاءِ، فَإِذَا قَدِمْتُمْ بَلَدَكُمْ، فَاكْسِرُوا بِيعَتَكُمْ، ثُمَّ انْضَحُوا مَكَانَهَا مِنْ هَذَا الْمَاءِ، وَاتَّخِذُوا مَكَانَهَا مَسْجِدًا»، فَقُلْنَا: يَا رَسُولَ اللَّهِ، الْبَلَدُ بَعِيدٌ، وَالْمَاءُ يَنْشَفُ، قَالَ: «فَأَمِدُّوهُ مِنَ الْمَاءِ، فَإِنَّهُ لَا يَزِيدُهُ إِلَّا طِيبًا». فَخَرَجْنَا فَتَشَاحَحْنَا عَلَى حَمْلِ الْإِدَاوَةِ، أَيُّنَا يَحْمِلُهَا، فَجَعَلَهَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَوْبًا لِكُلِّ رَجُلٍ مِنَّا يَوْمًا وَلَيْلَةً، فَخَرَجْنَا بِهَا حَتَّى قَدِمْنَا بَلَدَنَا فَعَمِلْنَا الَّذِي أَمَرَنَا، وَرَاهِبُ ذَلِكَ الْقَوْمِ رَجُلٌ مِنْ طَيِّئٍ، فَنَادَيْنَا بِالصَّلَاةِ، فَقَالَ الرَّاهِبُ: دَعْوَةُ حَقٍّ، ثُمَّ هَرَبَ فَلَمْ يُرَ بَعْد. [1: 23]
رقم طبعة با وزير = (1120) قَالَ أَبُو حَاتِمٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ: فِي هَذَا الْخَبَرِ بَيَانٌ وَاضِحٌ أَنَّ طَلْقَ بْنَ عَلِيٍّ رَجَعَ إِلَى بَلَدِهِ بَعْدَ الْقِدْمَةِ الَّتِي ذَكَرْنَا وَقْتَهَا، ثُمَّ لَا يُعْلَمُ لَهُ رُجُوعٌ إِلَى الْمَدِينَةِ بَعْدَ ذَلِكَ. فَمَنِ ادَّعَى رُجُوعَهُ بَعْدَ ذَلِكَ، فَعَلَيْهِ أَنْ يَأْتِيَ بِسُنَّةٍ مُصَرِّحَةٍ، وَلَا سَبِيلَ لَهُ إِلَى ذَلِكَتحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «الصحيحة» (2582)، وانظر التعليق المتقدم. تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح، وتقدم مختصراً برقم (1119).
তলক রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আমরা বানু হানীফ গোত্রের পাঁচজন এবং এবং বানু যুবাইআহ বিন রাবী‘আহ গোত্রের একজন প্রতিনিধি হিসেবে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কাছে যাওয়ার জন্য বের হই, আমরা আল্লাহর নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কাছে পৌঁছে তাঁর হাতে বাই‘আত গ্রহণ করি এবং সালাত আদায় করি। আমরা তাঁকে জানাই যে, আমাদের এলাকায় আমাদের একটি গীর্জা রয়েছে। আমরা তাঁর কাছে তাঁর পবিত্রতা অর্জনের পর অবশিষ্ট পানি হাদিয়া চাইলে তিনি পানি আনতে বলেন, অতঃপর তা দিয়ে তিনি ওযূ করেন, কুলি করেন এবং অবশিষ্ট পানি আমাদের জন্য একটি পাত্রে ঢেলে দেন। তারপর তিনি বলেন, “তোমরা এই পানি নিয়ে যাও। যখন তোমরা তোমাদের দেশে যাবে, তখন তোমরা তোমদের গীর্জা ভেঙ্গে ফেলবে, তারপর তোমরা সেই জায়গায় এই পানি ছিটিয়ে দিবে এবং সেখানে একটি মাসজিদ তৈরি করবে।” আমরা বললাম, “হে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, “আমাদের দেশ তো অনেক দূরে, এই পানি তো শুকিয়ে যাবে।” জবাবে তিনি বলেন, “তোমরা এই পানির সাথে অন্য পানির সহযোগিতা নিবে। কেননা এতে এই পানির পবিত্রতা বরং আরো বৃদ্ধিই পাবে।” অতঃপর আমরা বের হলাম এবং আমাদের মাঝে কে এই পানির পাত্র বহন করবে তা নিয়ে আমরা নিজেরা প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হলাম। তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের সবাইকে এক দিন এক রাত সময়ব্যাপী তা বহন করার জন্য পালা বন্টন করে দিলেন। এভাবে আমরা বের হলাম এমনকি আমরা আমাদের দেশে পৌঁছলাম এবং তিনি আমাদের যে আদেশ করেছিলেন, তা প্রতিপালন করলাম। আমাদের এই সম্প্রদায়ের জন্য তই গোত্রের একজন পাদ্রী ছিল। আমরা সালাতের আযান দিলাম, তখন পাদ্রী বললো, “এটি হক আহবান”, তারপর সে পালিয়ে যায় এবং পরবর্তীতে তাকে আর দেখা য়ায়নি ।“[1] আবূ হাতিম ইবনু হিব্বান রহিমাহুল্লাহ বলেন, “এই হাদীসে স্পষ্ট বর্ণনা রয়েছে যে, তলক বিন আলী এই আগমনের পর, যেই আগমনের সময় আমরা উল্লেখ করলাম, তিনি তাঁর দেশে ফিরে যান, তারপর তিনি আবার মদীনায় এসেছেন, এটা জানা যায় না। কাজেই যে ব্যক্তি দাবী করবে যে, তিনি এরপর আবার মদীনায় এসেছিলেন, তবে তার জন্য আবশ্যক হলো এই মর্মে সুস্পষ্ট হাদীস নিয়ে আসা। আর এমন হাদীস নিয়ে আসার কোন উপায় নেই।”







[1] আত তাবারানী: ৮২৪১; নাসাঈ: ২/৩৮-৩৯; মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ১/১৬৫; আবূ দাঊদ: ১৮২; তিরমিযী: ৮৫; দারাকুতনী: ১/১৪৯; ইবনুল জারুদ: ২১; তাহাবী, শারহুল মা‘আনিল আসার: ১/৭৫; সুনান বাইহাকী: ১/১৩৪; আত তায়ালিসী: ১/৫৭; মুসনাদ আহমাদ: ৪/২২; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৪২৬। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (আস সহীহাহ: ২৫৮২।)

সহীহ ইবনু হিব্বান (1123)