مُنْذِرُ بْنُ الْوَلِيدِ الْجَارُودِيُّ حَدَّثَنَا أَبُو قُتَيْبَةَ وَهْوَ سَلْمٌ حَدَّثَنَا مَالِكٌ عَنْ نَافِعٍ قَالَ كَانَ ابْنُ عُمَرَ يُعْطِي زَكَاةَ رَمَضَانَ بِمُدِّ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم الْمُدِّ الأَوَّلِ وَفِي كَفَّارَةِ الْيَمِينِ بِمُدِّ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ أَبُو قُتَيْبَةَ قَالَ لَنَا مَالِكٌ مُدُّنَا أَعْظَمُ مِنْ مُدِّكُمْ وَلاَ نَرَى الْفَضْلَ إِلاَّ فِي مُدِّ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَقَالَ لِي مَالِكٌ لَوْ جَاءَكُمْ أَمِيرٌ فَضَرَبَ مُدًّا أَصْغَرَ مِنْ مُدِّ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم بِأَيِّ شَيْءٍ كُنْتُمْ تُعْطُونَ قُلْتُ كُنَّا نُعْطِي بِمُدِّ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ أَفَلاَ تَرَى أَنَّ الأَمْرَ إِنَّمَا يَعُودُ إِلَى مُدِّ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم
নাফি’ (রাহিঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, ইব্নু ‘উমর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) রমযানের ফিত্রা আদায় করতেন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মুদ্দ তথা প্রথম মুদ্দ-এর দ্বারা। আর কসমের কাফ্ফারাতেও তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মুদ্দ ব্যবহার করতেন। আবূ কুতাইবা বলেন, মালিক (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) আমাদেরকে বলেছেন যে, আমাদের মুদ্দ তোমাদের মুদ্দের চেয়ে বড়। আর আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মুদ্দেই ফযীলত দেখতে পাই। রাবী বলেন, আমাকে মালিক (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেছেনঃ তোমাদের কাছে কোন শাসক এসে যদি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মুদ্দ থেকে তোমাদের মুদ্দকে ছোট করে দেন, তাহলে তোমরা কিসের মাধ্যমে (ওজন করে) মানুষদেরকে দিতে? আমি বললাম, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মুদ্দ দিয়েই দিতাম। তিনি বললেন, তোমরা কি দেখছ না যে, সাম্প্রতিককালে লেনদেনের বিষয়টি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মুদ্দের দিকে ফিরে যাচ্ছে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬২৪৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২৫৬)
সহীহুল বুখারী (6713)