مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي بَكْرٍ الْمُقَدَّمِيُّ حَدَّثَنَا فُضَيْلُ بْنُ سُلَيْمَانَ حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ عُقْبَةَ حَدَّثَنَا حَكِيمُ بْنُ أَبِي حُرَّةَ الأَسْلَمِيُّ أَنَّهُ سَمِعَ عَبْدَ اللهِ بْنَ عُمَرَ سُئِلَ عَنْ رَجُلٍ نَذَرَ أَنْ لاَ يَأْتِيَ عَلَيْهِ يَوْمٌ إِلاَّ صَامَ فَوَافَقَ يَوْمَ أَضْحًى أَوْ فِطْرٍ فَقَالَ {لَقَدْ كَانَ لَكُمْ فِي رَسُولِ اللهِ أُسْوَةٌ حَسَنَةٌ} لَمْ يَكُنْ يَصُومُ يَوْمَ الأَضْحَى وَالْفِطْرِ وَلاَ يَرَى صِيَامَهُمَا
আবদুল্লাহ্ ইব্নু ‘উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, আবদুল্লাহ্ ইব্নু ‘উমারকে এক লোক সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হল যে লোক মানত করেছিল যে, সে সওম পালন থেকে কোন দিনই বিরত থাকবে না। আর তার ভিতর কুরবানী বা ঈদুল ফিত্রের দিন এসে গেল। তিনি বললেন, নিশ্চয়ই রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মাঝে তোমাদের জন্য সবোর্ত্তম আদর্শ রয়েছে। তিনি ঈদুল ফিত্রের এবং কুরবানীর দিন সওম পালন করতেন না। আর তিনি ঐ দিনগুলোতে সওম পালন করা জায়েযও মনে করতেন না। [৮১] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২৩৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২৪৮)
সহীহুল বুখারী (6705)