أَبُو النُّعْمَانِ حَدَّثَنَا مَهْدِيُّ بْنُ مَيْمُوْنٍ حَدَّثَنَا وَاصِلٌ عَنْ أَبِيْ وَائِلٍ عَنْ عَبْدِ اللهِ قَالَ غَدَوْنَا عَلَى عَبْدِ اللهِ فَقَالَ رَجُلٌ قَرَأْتُ الْمُفَصَّلَ الْبَارِحَةَ فَقَالَ هَذًّا كَهَذِّ الشِّعْرِ إِنَّا قَدْ سَمِعْنَا الْقِرَاءَةَ وَإِنِّيْ لَأَحْفَظُ الْقُرَنَاءَ الَّتِيْ كَانَ يَقْرَأُ بِهِنَّ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ثَمَانِيَ عَشْرَةَ سُوْرَةً مِنَ الْمُفَصَّلِ وَسُوْرَتَيْنِ مِنْ آلِ حم
আবূ ওয়ায়িল (রাহিঃ) সূত্রে ‘আবদুল্লাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, আবূ ওয়ায়িল (রাহিঃ) বলেন, আমরা একদিন সকালে ‘আবদুল্লাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)- এর কাছে গেলাম। একজন লোক বলল, গতকাল রাতে আমি মুফাস্সাল সূরাসমূহ পাঠ করেছি। এ কথা শুনে ‘আবদুল্লাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেন, এত শীঘ্র পাঠ করা যেন কবিতা পাঠের মতো; অথচ আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর পাঠ শুনেছি এবং তা আমার ভালভাবে মনে আছে। নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে যে সমস্ত সুরাহ পাঠ করতে আমি শুনেছি, তার সংখ্যা মুফাস্সাল হতে আঠারটি এবং ‘আলিফ-লাম হামিম’ হতে দু’টি। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬৭০, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬৭৪)
সহীহুল বুখারী (5043)