الْحُمَيْدِيُّ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ حَدَّثَنَا الزُّهْرِيُّ سَمِعْتُ عُرْوَةَ قُلْتُ لِعَائِشَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهَا فَقَالَتْ إِنَّمَا كَانَ مَنْ أَهَلَّ بِمَنَاةَ الطَّاغِيَةِ الَّتِيْ بِالْمُشَلَّلِ لَا يَطُوْفُوْنَ بَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ فَأَنْزَلَ اللهُ تَعَالَى {إِنَّ الصَّفَا وَالْمَرْوَةَ مِنْ شَعَآئِرِ اللهِ} فَطَافَ رَسُوْلُ اللهِ صلى الله عليه وسلم وَالْمُسْلِمُوْنَ قَالَ سُفْيَانُ مَنَاةُ بِالْمُشَلَّلِ مِنْ قُدَيْدٍ وَقَالَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ خَالِدٍ عَنْ ابْنِ شِهَابٍ قَالَ عُرْوَةُ قَالَتْ عَائِشَةُ نَزَلَتْ فِي الْأَنْصَارِ كَانُوْا هُمْ وَغَسَّانُ قَبْلَ أَنْ يُسْلِمُوْا يُهِلُّوْنَ لِمَنَاةَ مِثْلَهُ وَقَالَ مَعْمَرٌ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ عُرْوَةَ عَنْ عَائِشَةَ كَانَ رِجَالٌ مِنَ الْأَنْصَارِ مِمَّنْ كَانَ يُهِلُّ لِمَنَاةَ وَمَنَاةُ صَنَمٌ بَيْنَ مَكَّةَ وَالْمَدِيْنَةِ قَالُوْا يَا نَبِيَّ اللهِ كُنَّا لَا نَطُوْفُ بَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ تَعْظِيْمًا لِمَنَاةَ نَحْوَهُ.
‘উরওয়াহ (রহ.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি ‘আয়িশাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, মুশাল্লাল নামক স্থানে অবস্থিত মানাত দেবীর নামে যারা ইহ্রাম বাঁধতো, তারা সাফা ও মারওয়ার মাঝে তাওয়াফ করতো না। তারপর আল্লাহ্ তা‘আলা অবতীর্ণ করলেন, “সাফা ও মারওয়া আল্লাহ্‌র নিদর্শনসমূহের অন্যতম।” এরপর রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ও মুসলিমগণ তাওয়াফ করলেন। সুফ্য়ান (রহ.) বলেন, ‘মানাত’ কুদায়দ-এর মুশাল্লাল-এ অবস্থিত ছিল। অপর এক বর্ণনায় আবদুর রহমান ইব্‌নু খালিদ (রহ.).....‘আয়িশাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, এ আয়াতটি আনসারদের ব্যাপারে অবতীর্ণ হয়েছে। ইসলাম গ্রহণের আগে আনসার ও গাস্সান গোত্রের লোকেরা মানাতের নামে ইহ্রাম বাঁধতো। হাদীসের বাকী অংশ সুফ্য়ানের বর্ণনার মতই। অপর এক সূত্রে মা‘মার (রহ.).....‘আয়িশাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আনসারদের কতক লোক মানাতের নামে ইহ্রাম বাঁধতো, মানাত মাক্কাহ ও মাদীনাহ্র মাঝে রাখা একটি দেবমূর্তি। তারা বললেন, হে আল্লাহ্‌র নাবী! মানাতের সম্মানার্থে আমরা সাফা ও মারওয়ার মাঝে তাওয়াফ করতাম না। এ হাদীসটি আগের হাদীসেরই মত। [১৬৪৩] (আধুনিক প্রকাশনী ৪৪৯৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৪৯৭)

সহীহুল বুখারী (4861)