يَحْيَى حَدَّثَنَا اللَّيْثُ عَنْ عُقَيْلٍ عَنْ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَبْدِ اللهِ أَنَّ عَبْدَ اللهِ بْنَ كَعْبِ بْنِ مَالِكٍ قَالَ سَمِعْتُ كَعْبَ بْنَ مَالِكٍ حِيْنَ تَخَلَّفَ عَنْ تَبُوْكَ وَاللهِ مَا أَنْعَمَ اللهُ عَلَيَّ مِنْ نِعْمَةٍ بَعْدَ إِذْ هَدَانِيْ أَعْظَمَ مِنْ صِدْقِيْ رَسُوْلَ اللهِ صلى الله عليه وسلم أَنْ لَا أَكُوْنَ كَذَبْتُهُ فَأَهْلِكَ كَمَا هَلَكَ الَّذِيْنَ كَذَبُوْا حِيْنَ أُنْزِلَ الْوَحْيُ {سَيَحْلِفُوْنَ بِاللهِ لَكُمْ إِذَا انْقَلَبْتُمْ إِلَيْهِمْ} إِلَى قَوْلِهِ {الْفَاسِقِيْنَ}.
‘আবদুল্লাহ ইবনু কা‘ব ইবনু মালিক (রহ.) হতে বর্ণিত, বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি কা‘ব ইবনু মালিক (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে বলতে শুনেছি, তিনি যখন তাবূকের যুদ্ধে পিছনে রয়ে গেলেন, আল্লাহ্র কসম! তখন আল্লাহ আমাকে এমন এক নিয়ামত দান করেন যে মুসলিম হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত এত বড় নিয়ামত পাইনি। তা হল রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কাছে সত্য কথা প্রকাশ করা। আমি তাঁর কাছে মিথ্যা বলিনি। যদি মিথ্যা বলতাম, তবে অন্যান্য (মুনাফিক ও) মিথ্যাচারী যেভাবে ধ্বংস হয়েছে, আমিও সেভাবে ধ্বংস হয়ে যেতাম। যে সময় ওয়াহী অবতীর্ণ হল “তারা তোমাদের সামনে কসম করবে যাতে তোমরা তাদের প্রতি রাজি হও। যদি তোমরা তাদের প্রতি রাজি হয়ে যাও তবুও আল্লাহ এসব ফাসিক লোকদের প্রতি রাজি হবেন না” (সূরাহ বারাআত ৯/৯৬)। [২৭৫৭] (আধুনিক প্রকাশনী ৪৩১২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৩১৩)
সহীহুল বুখারী (4673)