عُثْمَانُ بْنُ أَبِيْ شَيْبَةَ حَدَّثَنَا عَبْدَةُ عَنْ هِشَامٍ عَنْ أَبِيْهِ قَالَ ذَهَبْتُ أَسُبُّ حَسَّانَ عِنْدَ عَائِشَةَ فَقَالَتْ لَا تَسُبَّهُ فَإِنَّهُ كَانَ يُنَافِحُ عَنْ رَسُوْلِ اللهِ صلى الله عليه وسلم وَقَالَتْ عَائِشَةُ اسْتَأْذَنَ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فِيْ هِجَاءِ الْمُشْرِكِيْنَ قَالَ كَيْفَ بِنَسَبِيْ قَالَ لَأَسُلَّنَّكَ مِنْهُمْ كَمَا تُسَلُّ الشَّعَرَةُ مِنَ الْعَجِيْنِ
وقَالَ مُحَمَّدُ : حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ فَرْقَدٍ سَمِعْتُ هِشَامًا عَنْ أَبِيْهِ قَالَ سَبَبْتُ حَسَّانَ وَكَانَ مِمَّنْ كَثَّرَ عَلَيْهَا
وقَالَ مُحَمَّدُ : حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ فَرْقَدٍ سَمِعْتُ هِشَامًا عَنْ أَبِيْهِ قَالَ سَبَبْتُ حَسَّانَ وَكَانَ مِمَّنْ كَثَّرَ عَلَيْهَا
হিশামের পিতা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি 'আয়িশাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর সামনে হাস্সান ইবনু সাবিত (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে গালি দিতে লাগলে তিনি বললেন, তাঁকে গালি দিও না। কারণ তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পক্ষ হয়ে কাফিরদের বিরুদ্ধে লড়াই করতেন। 'আয়িশাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেছেন হাস্সান ইবনু সাবিত (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) কবিতার মাধ্যমে মুশরিকের নিন্দাবাদ করার জন্য নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে অনুমতি চাইলে তিনি বললেন, তুমি কুরাইশদের নিন্দায় কবিতা রচনা করলে আমার বংশকে কি পৃথক করবে? আমি আপনাকে তাদের থেকে এমনভাবে পৃথক করে রাখব যেমনভাবে আটার খামির থেকে চুল পৃথক করা হয়। [৩৫৩১]
মুহাম্মদ (রাহিঃ) বলেছেন, 'উসমান ইবনু ফারকাদ (রাহিঃ) আমার কাছে বর্ণনা করেছেন যে, আমি হিশাম (রাহিঃ)-কে তার পিতা 'উরওয়াহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি, তিনি বলেছেন, আমি হাস্সান ইবনু সাবিত (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে গালি দিয়েছি। কেননা তিনি ছিলেন, 'আয়িশাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর প্রতি অপবাদ রটনাকারীদের একজন। (আধুনিক প্রকাশনী ৩৮৩৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৮৩৬)
মুহাম্মদ (রাহিঃ) বলেছেন, 'উসমান ইবনু ফারকাদ (রাহিঃ) আমার কাছে বর্ণনা করেছেন যে, আমি হিশাম (রাহিঃ)-কে তার পিতা 'উরওয়াহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি, তিনি বলেছেন, আমি হাস্সান ইবনু সাবিত (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে গালি দিয়েছি। কেননা তিনি ছিলেন, 'আয়িশাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর প্রতি অপবাদ রটনাকারীদের একজন। (আধুনিক প্রকাশনী ৩৮৩৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৮৩৬)
সহীহুল বুখারী (4145)