إِبْرَاهِيْمُ بْنُ الْمُنْذِرِ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ فُلَيْحِ بْنِ سُلَيْمَانَ عَنْ مُوْسَى بْنِ عُقْبَةَ عَنْ ابْنِ شِهَابٍ قَالَ هَذِهِ مَغَازِيْ رَسُوْلِ اللهِ صلى الله عليه وسلم فَذَكَرَ الْحَدِيْثَ فَقَالَ رَسُوْلُ اللهِ صلى الله عليه وسلم وَهُوَ يُلْقِيْهِمْ هَلْ وَجَدْتُمْ مَا وَعَدَكُمْ رَبُّكُمْ حَقًّا قَالَ مُوْسَى قَالَ نَافِعٌ قَالَ عَبْدُ اللهِ قَالَ نَاسٌ مِنْ أَصْحَابِهِ يَا رَسُوْلَ اللهِ تُنَادِيْ نَاسًا أَمْوَاتًا قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صلى الله عليه وسلم مَا أَنْتُمْ بِأَسْمَعَ لِمَا قُلْتُ مِنْهُمْ
قَالَ أَبُوْ عَبْد اللهِ فَجَمِيْعُ مَنْ شَهِدَ بَدْرًا مِنْ قُرَيْشٍ مِمَّنْ ضُرِبَ لَهُ بِسَهْمِهِ أَحَدٌ وَثَمَانُوْنَ رَجُلًا وَكَانَ عُرْوَةُ بْنُ الزُّبَيْرِ يَقُوْلُ قَالَ الزُّبَيْرُ قُسِمَتْ سُهْمَانُهُمْ فَكَانُوْا مِائَةً وَاللهُ أَعْلَمُ
قَالَ أَبُوْ عَبْد اللهِ فَجَمِيْعُ مَنْ شَهِدَ بَدْرًا مِنْ قُرَيْشٍ مِمَّنْ ضُرِبَ لَهُ بِسَهْمِهِ أَحَدٌ وَثَمَانُوْنَ رَجُلًا وَكَانَ عُرْوَةُ بْنُ الزُّبَيْرِ يَقُوْلُ قَالَ الزُّبَيْرُ قُسِمَتْ سُهْمَانُهُمْ فَكَانُوْا مِائَةً وَاللهُ أَعْلَمُ
ইব্নু শিহাব (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, [তিনি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর জিহাদসমূহের বর্ণনা দেয়ার পর] বলেছেন, এগুলোই ছিল রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সামরিক অভিযান। এরপর তিনি ঘটনা বর্ণনা করলেন যে, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কুরাইশ কাফিরদের লাশ কূপে নিক্ষেপ করার সময় বললেন, তোমাদের রব তোমাদেরকে যে ওয়াদা দিয়েছিলেন তা পেয়েছ তো? মূসা নাফি‘র মাধ্যমে ‘আবদুল্লাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, এ সময় রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাহাবীদের থেকে কেউ কেউ বললেন, হে আল্লাহ্র রাসূল! আপনি মৃতলোকদের আহ্বান জানাচ্ছেন। তখন রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আমার কথাগুলো তোমরা তাদের থেকে অধিক শুনতে পাচ্ছ না।
আবূ আবদুল্লাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, গনীমাত লাভ করেছিলেন, এমন কুরাইশী সাহাবী বদ্রে শরীক ছিলেন তাদের সংখ্যা হল একাশি। [১৮] ‘উরওয়াহ ইব্ন যুবায়র বললেন যে, যুবায়র (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেছেন (বাদ্রী) কুরাইশী সাহাবীদের অংশগুলো বণ্টন করা হয়েছিল। তাদের সংখ্যা ছিল সর্বমোট একশ’ (আল্লাহ্ই ভাল জানেন)। [১৩৭০] (আধুনিক প্রকাশনী ৩৭২৬, ইফা. ৩৭৩০)
আবূ আবদুল্লাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, গনীমাত লাভ করেছিলেন, এমন কুরাইশী সাহাবী বদ্রে শরীক ছিলেন তাদের সংখ্যা হল একাশি। [১৮] ‘উরওয়াহ ইব্ন যুবায়র বললেন যে, যুবায়র (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেছেন (বাদ্রী) কুরাইশী সাহাবীদের অংশগুলো বণ্টন করা হয়েছিল। তাদের সংখ্যা ছিল সর্বমোট একশ’ (আল্লাহ্ই ভাল জানেন)। [১৩৭০] (আধুনিক প্রকাশনী ৩৭২৬, ইফা. ৩৭৩০)
সহীহুল বুখারী (4026)