حَدَّثَنَا مُوْسَى عَنْ أَبِيْ عَوَانَةَ عَنْ مُغِيْرَةَ عَنْ إِبْرَاهِيْمَ عَنْ عَلْقَمَةَ دَخَلْتُ الشَّأْمَ فَصَلَّيْتُ رَكْعَتَيْنِ فَقُلْتُ اللَّهُمَّ يَسِّرْ لِيْ جَلِيْسًا فَرَأَيْتُ شَيْخًا مُقْبِلًا فَلَمَّا دَنَا قُلْتُ أَرْجُوْ أَنْ يَكُوْنَ اسْتَجَابَ قَالَ مِنْ أَيْنَ أَنْتَ قُلْتُ مِنْ أَهْلِ الْكُوفَةِ قَالَ أَفَلَمْ يَكُنْ فِيكُمْ صَاحِبُ النَّعْلَيْنِ وَالْوِسَادِ وَالْمِطْهَرَةِ أَوَلَمْ يَكُنْ فِيكُمْ الَّذِيْ أُجِيْرَ مِنْ الشَّيْطَانِ أَوَلَمْ يَكُنْ فِيكُمْ صَاحِبُ السِّرِّ الَّذِيْ لَا يَعْلَمُهُ غَيْرُهُ كَيْفَ قَرَأَ ابْنُ أُمِّ عَبْدٍوَاللَّيْلِ فَقَرَأْتُ وَاللَّيْلِ إِذَا يَغْشٰى وَالنَّهَارِ إِذَا تَجَلّٰى وَالذَّكَرِ وَالْأُنْثٰى (الليل : 1-3) قَالَ أَقْرَأَنِيْهَا النَّبِيُّ فَاهُ إِلَى فِيَّ فَمَا زَالَ هَؤُلَاءِ حَتَّى كَادُوْا يَرُدُّونِي
‘আলকামাহ (রাহিঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি সিরিয়া গেলাম। মসজিদে দু’রাকআত সালাত আদায় করে দু‘আ করলাম, হে আল্লাহ্, আমাকে একজন সৎ সাথী মিলিয়ে দিন। তখন আমি একজন বৃদ্ধকে আসতে দেখলাম। তিনি ছিলেন আবূ দারদা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)। তিনি যখন আমার নিকটে আসলেন, তখন আমি বললাম, আশা করি আমার দু‘আ কবুল হয়েছে। তিনি আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কোথাকার লোক? আমি বললাম, আমার ঠিকানা কুফায়। তিনি বললেন, তোমাদের মাঝে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর জুতা, বালিস ও উযূর পাত্র বহনকারী [আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘ঊদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)] কি বিদ্যমান নেই? তোমাদের মাঝে ঐ ব্যক্তি কি নেই, যাকে শয়তান হতে নিরাপদ করে দেয়া হয়েছে? [অর্থাৎ আম্মার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)]। তোমাদের মাঝে কি গোপন তথ্যাভিজ্ঞ ব্যক্তিটি [হুযাইফাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)] নেই, যিনি ব্যতীত এসব গোপন রহস্য অন্য কেউ জানে না। (আমি বললাম, আছেন) অতঃপর তিনি জিজ্ঞেস করলেন, ইবনু মাস‘ঊদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) وَاللَّيْلِ কিভাবে পড়েন? আমি পড়লাম, وَاللَّيْلِ إِذَا يَغْشَى وَالنَّهَارِ إِذَا تَجَلَّى وَالذَّكَرِ وَالأُنْثَى এভাবে পড়েন। তিনি বললেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে সূরাটি সরাসরি এভাবে পড়তে শিখিয়েছেন। কিন্তু এসব লোক বার বার ব’লে আমাকে এ থেকে সরিয়ে দেয়ার চেষ্টা করেছে। (৩২৮৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৪৭৮, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৪৮৬)

সহীহুল বুখারী (3761)