حَدَّثَنَا عَلِيٌّ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُنْكَدِرِ سَمِعَ جَابِرًا قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صلى الله عليه وسلم لَوْ قَدْ جَاءَنِيْ مَالُ الْبَحْرَيْنِ لَقَدْ أَعْطَيْتُكَ هَكَذَا وَهَكَذَا وَهَكَذَا فَلَمْ يَجِئْ حَتَّى قُبِضَ النَّبِيُّ فَلَمَّا جَاءَ مَالُ الْبَحْرَيْنِ أَمَرَ أَبُوْ بَكْرٍ مُنَادِيًا فَنَادَى مَنْ كَانَ لَهُ عِنْدَ رَسُوْلِ اللهِ صلى الله عليه وسلم دَيْنٌ أَوْ عِدَةٌ فَلْيَأْتِنَا فَأَتَيْتُهُ فَقُلْتُ إِنَّ رَسُوْلَ اللهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ لِيْ كَذَا وَكَذَا فَحَثَا لِيْ ثَلَاثًا وَجَعَلَ سُفْيَانُ يَحْثُوْ بِكَفَّيْهِ جَمِيْعًا ثُمَّ قَالَ لَنَا هَكَذَا قَالَ لَنَا ابْنُ الْمُنْكَدِرِ وَقَالَ مَرَّةً فَأَتَيْتُ أَبَا بَكْرٍ فَسَأَلْتُ فَلَمْ يُعْطِنِيْ ثُمَّ أَتَيْتُهُ فَلَمْ يُعْطِنِيْ ثُمَّ أَتَيْتُهُ الثَّالِثَةَ فَقُلْتُ سَأَلْتُكَ فَلَمْ تُعْطِنِيْ ثُمَّ سَأَلْتُكَ فَلَمْ تُعْطِنِيْ ثُمَّ سَأَلْتُكَ فَلَمْ تُعْطِنِيْ فَإِمَّا أَنْ تُعْطِيَنِيْ وَإِمَّا أَنْ تَبْخَلَ عَنِّيْ قَالَ قُلْتَ تَبْخَلُ عَنِّيْ مَا مَنَعْتُكَ مِنْ مَرَّةٍ إِلَّا وَأَنَا أُرِيْدُ أَنْ أُعْطِيَكَ

قَالَ سُفْيَانُ وَحَدَّثَنَا عَمْرٌو عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ عَنْ جَابِرٍ فَحَثَا لِيْ حَثْيَةً وَقَالَ عُدَّهَا فَوَجَدْتُهَا خَمْسَ مِائَةٍ قَالَ فَخُذْ مِثْلَهَا مَرَّتَيْنِ وَقَالَ يَعْنِيْ ابْنَ الْمُنْكَدِرِ وَأَيُّ دَاءٍ أَدْوَأُ مِنْ الْبُخْلِ
জাবির ইব্‌নু ‘আবদুল্লাহ্‌ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যদি আমার নিকট বাহ্রাইনের মাল আসে, তবে আমি তোমাকে (দুইহাত মিলিয়ে) এ পরিমাণ ও এ পরিমাণ দান করব। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর মৃত্যু অবধি তা এলো না। অতঃপর যখন বাহ্‌রাইনের মাল এল, তখন আবূ বক্‌র (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) ঘোষণাকারীকে এ ঘোষণা দেয়ার আদেশ করলেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট যার কোন ঋণ বা ওয়াদা আছে, সে যেন আমার নিকট আসে। অতঃপর আমি তাঁর নিকট গিয়ে বললাম, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে এত এত ও এত দেয়ার কথা বলেছেন। তখন আবূ বক্‌র (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) তিনবার আঁজলা ভরে দান করেন। সুফ্ইয়ান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) তাঁর দুই হাত একত্র করে আঁজলা করে আমাদের বললেন, ইব্‌নু মুনকাদির এরূপই বলেছেন। জাবির (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, অতঃপর আমি (জাবির) আবূ বকর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) –এর নিকট এলাম এবং তাঁর নিকট চাইলাম। তিনি আমাকে দিলেন না। আবার আমি তাঁর নিকট এলাম। তখনও তিনি আমাকে দিলেন না। আবার আমি তাঁর নিকট তৃতীয়বার এসে বললাম, আমি আপনার নিকট চেয়েছি, আপনি আমাকে দেননি। আবার আমি আপনার নিকট চেয়েছি, আপনি আমাকে দেননি। এখন আমাকে আপনি দেবেন, না হয় আমার সঙ্গে কৃপণতা করবেন না। আবূ বকর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেন, তুমি আমাকে বলছ, ‘কৃপণতা করবেন?’ আমি যতবারই তোমাকে দিতে অস্বীকার করি না কেন, আমার ইচ্ছা ছিল যে, আমি তোমাকে দেই।



সুফইয়ান (রাহিঃ) বলেন, ‘আমর (রাহিঃ) মুহাম্মাদ ইব্‌নু ‘আলী (রাহিঃ) সূত্রে জাবির (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ননা করেছেন, (তিনি বলেন) আবূ বকর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) আমাকে এক আঁজলা দিয়ে বললেন, এটা গুণে নাও। আমি গণনা করে দেখলাম, পাঁচ শত। তখন তিনি বললেন, এ রকম আরও দু’বার নিয়ে নাও। আর ইব্‌নুল মুনকাদিরের বর্ণনায় আছে যে, [আবূ বকর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেছেন], ‘কৃপণতার চেয়ে বড় রোগ কি হতে পারে?’ (২২৯৬) (আধুনিক প্রকাশনী ২৯০২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৯১৩)

সহীহুল বুখারী (3137)