وَقَالَ لَنَا سُلَيْمَانُ حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ نَافِعٍ، قَالَ مَا رَدَّ ابْنُ عُمَرَ عَلَى أَحَدٍ وَصِيَّةً‏.‏ وَكَانَ ابْنُ سِيرِينَ أَحَبَّ الأَشْيَاءِ إِلَيْهِ فِي مَالِ الْيَتِيمِ أَنْ يَجْتَمِعَ إِلَيْهِ نُصَحَاؤُهُ وَأَوْلِيَاؤُهُ فَيَنْظُرُوا الَّذِي هُوَ خَيْرٌ لَهُ‏.‏ وَكَانَ طَاوُسٌ إِذَا سُئِلَ عَنْ شَىْءٍ مِنْ أَمْرِ الْيَتَامَى قَرَأَ ‏{‏وَاللَّهُ يَعْلَمُ الْمُفْسِدَ مِنَ الْمُصْلِحِ‏}‏‏.‏ وَقَالَ عَطَاءٌ فِي يَتَامَى الصَّغِيرُ وَالْكَبِيرُ يُنْفِقُ الْوَلِيُّ عَلَى كُلِّ إِنْسَانٍ بِقَدْرِهِ مِنْ حِصَّتِهِ‏.‏
নাফি (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, ইব্‌নু ‘উমর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) কখনো কারো অসীয়ত প্রত্যাখ্যান করেননি। ইব্‌নু সীরীন (রাহিঃ) -এর নিকট ইয়াতীমের মাল সম্পর্কে সবচেয়ে প্রিয় বিষয় ছিল, অভিভাবক ও শুভাকাঙক্ষীদের একত্রিত হওয়া, যাতে তারা তার কল্যাণের কথা বিবেচনা করে। তাউস (রাহিঃ) -এর নিকট ইয়াতীমের ব্যাপারে কিছু জিজ্ঞেস করা হলে তিনি পাঠ করতেনঃ “আল্লাহ জানেন কে হিতকারী আর কে অনিষ্টকারী।” (আল-বাকারা ২২০) ‘আত্বা (রাহিঃ) বলেন, ইয়াতীম ছোট হোক কিংবা বড়, অভিভাবক তার অংশ থেকে প্রত্যেকের জন্য পরিমাণ মত ব্যয় করতে পারবে।

সহীহুল বুখারী (2767)