حَدَّثَنَا فَرْوَةُ بْنُ أَبِي الْمَغْرَاءِ أَخْبَرَنَا عَلِيُّ بْنُ مُسْهِرٍ عَنْ هِشَامٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ لَقَلَّ يَوْمٌ كَانَ يَأْتِي عَلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم إِلاَّ يَأْتِي فِيهِ بَيْتَ أَبِي بَكْرٍ أَحَدَ طَرَفَيْ النَّهَارِ فَلَمَّا أُذِنَ لَهُ فِي الْخُرُوجِ إِلَى الْمَدِينَةِ لَمْ يَرُعْنَا إِلاَّ وَقَدْ أَتَانَا ظُهْرًا فَخُبِّرَ بِهِ أَبُو بَكْرٍ فَقَالَ مَا جَاءَنَا النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فِي هَذِهِ السَّاعَةِ إِلاَّ لأَمْرٍ حَدَثَ فَلَمَّا دَخَلَ عَلَيْهِ قَالَ لأَبِي بَكْرٍ أَخْرِجْ مَنْ عِنْدَكَ قَالَ يَا رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم إِنَّمَا هُمَا ابْنَتَايَ يَعْنِي عَائِشَةَ وَأَسْمَاءَ قَالَ أَشَعَرْتَ أَنَّهُ قَدْ أُذِنَ لِي فِي الْخُرُوجِ قَالَ الصُّحْبَةَ يَا رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ الصُّحْبَةَ قَالَ يَا رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم إِنَّ عِنْدِي نَاقَتَيْنِ أَعْدَدْتُهُمَا لِلْخُرُوجِ فَخُذْ إِحْدَاهُمَا قَالَ قَدْ أَخَذْتُهَا بِالثَّمَنِ
‘আয়িশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, এমন দিন খুব কমই গিয়েছে, যে দিন সকালে বা বিকালে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (আমার পিতা) আবূ বকর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর ঘরে আসেন নি। যখন তাঁকে (আল্লাহ তা’আলার পক্ষ হতে) মাদীনার উদ্দেশ্যে বের হওয়ার অনুমতি দেয়া হল, তখন তিনি একদিন দুপুরের সময় আগমন করায় আমরা শঙ্কিত হয়ে পড়লাম। আবূ বকর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে এ সংবাদ জানানো হলে তিনি বলে উঠলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিশেষ কোন ঘটনার কারণেই অসময়ে আগমন করেছেন। যখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রবেশ করলেন তখন তিনি আবূ বকর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে বললেন, যারা তোমার কাছে আছে তাদের সরিয়ে দাও। আবূ বকর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেন হে রাসূলুল্লাহ! এরা তো আমার দুই কন্যা ‘আয়িশা ও আসমা। তিনি বললেন, তুমি কি জান আমাকে তো বের হওয়ার অনুমতি দেয়া হয়েছে? আপনার সফরসঙ্গী হওয়া আমার কাম্য হে রাসূলুল্লাহ! তিনি বললেন, হ্যাঁ, তুমি আমার সফরসঙ্গী হবে। আবূ বকর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেন, হে রাসূলুল্লাহ! আমার কাছে দু’টি উটনী রয়েছে, যা আমি হিজরতের জন্য প্রস্তুত রেখেছি। এর একটি আপনি গ্রহণ করুন। তিনি বললেন, আমি মূল্যের বিনিময়ে তা গ্রহণ করলাম। (৪৭৬) (আধুনিক প্রকাশনী ১৯৯০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২০০৫)

সহীহুল বুখারী (2138)